রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ জয় 

রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিতরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ২১টি পদের মধ্যে ২০টিতেই জয়লাভ করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত প্যানেল।  বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং আধা ঘণ্টা বিরতির পর দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ভোট গণনা সম্পন্ন করে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে আলহাজ আবুল কাসেম সভাপতি এবং পারভেজ তৌফিক জাহেদী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সহসভাপতি পদে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি মনোনীত প্যানেল থেকে একেএম মিজানুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানায়, নির্বাচনে মোট ৬৯৩ ভোটারের মধ্যে ৬২৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণের জন্য ১নং বার ভবনের দ্বিতীয় তলায় বুথ স্থাপন করা হয়। ২১টি পদের বিপরীতে দুটি পৃথক প্যানেলে মোট ৪২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে ১ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য

রাজশাহীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ জয় 
রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিতরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ২১টি পদের মধ্যে ২০টিতেই জয়লাভ করেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত প্যানেল।  বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং আধা ঘণ্টা বিরতির পর দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ভোট গণনা সম্পন্ন করে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে আলহাজ আবুল কাসেম সভাপতি এবং পারভেজ তৌফিক জাহেদী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সহসভাপতি পদে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি মনোনীত প্যানেল থেকে একেএম মিজানুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানায়, নির্বাচনে মোট ৬৯৩ ভোটারের মধ্যে ৬২৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণের জন্য ১নং বার ভবনের দ্বিতীয় তলায় বুথ স্থাপন করা হয়। ২১টি পদের বিপরীতে দুটি পৃথক প্যানেলে মোট ৪২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে ১ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত আলহাজ আবুল কাসেম-পারভেজ তৌফিক জাহেদী প্যানেলের নির্বাচিতরা হলেন— সহসভাপতি পদে মাহাবুবুল ইসলাম ও মজিজুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) ইমতিয়ার মাসরুর আল আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (কল্যাণ) নুর-এ কামরুজ্জামান ইরান, হিসাব সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শামীম, লাইব্রেরি সম্পাদক সেলিম রেজা মাসুম, অডিট সম্পাদক তানভীর আহমেদ জুলেট, প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন সম্পাদক শাহজামাল এবং ম্যাগাজিন অ্যান্ড কালচার সম্পাদক জানিজ ফাতেমা কাজল। এছাড়া সদস্য পদে নির্বাচিত ৯ জন হলেন— ইয়াসিন আলী, শামীম আহমেদ, মাঈনুর রহমান, হাফিজুল ইসলাম, জাকির হোসেন (২), শাহীন আলম মাহমুদ, রেশমা খাতুন, হুমায়ুন কবির শাম্মী ও রহিমা খাতুন। প্রসঙ্গত, নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম সেলিম। নির্বাচন কমিশনের অপর দুই সদস্য ছিলেন এএনএম কামরুজ্জামান বকুল ও শামীম হায়দার দারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow