রান তাড়ার শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

লক্ষ্য ২৭৪ রান। প্রথম দুই ওভার দেখে খেললেও এরপর ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ। ১৫ রান তুলতে হারিয়ে বসেছে ৩ উইকেট। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিম, ৭ বলে করেন মাত্র ১ রান। পরের বলেই আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে মিডঅফে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সাইফ হাসান (১২ বলে ১২)। নাজমুল হোসেন শান্ত আরও একবার দৃষ্টিকটু আউট হয়েছেন। শাহিন আফ্রিদির বলে ব্যাট পাতার আগেই উড়ে যায় স্টাম্প। ফেরেন শূন্য রানে। এর আগে বিনা উইকেটে ১০৩, একটা সময় ৩ উইকেটে ২৩১ রান তুলে ফেলেছিল পাকিস্তান। মনে হচ্ছিল, স্কোর অনায়াসে ৩০০-৩৫০ হয়ে যাবে। তবে বাংলাদেশের বোলাররা সেটা করতে দেননি। মেহেদী হাসান মিরাজের বুদ্ধিদীপ্ত এক রানআউটের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। ৪৩ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ৪৭.৩ ওভারে অলআউট হয় ২৭৪ রানে। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। তবে এবার আর আগের ম্যাচের মতো ভুল করেনি পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহান আর মাজ সাদাকাত ১৩ ওভারের আগেই দলকে পার করে দেন ১০০ রানের গণ্ডি। কিছুতেই উইকেটের দেখা পাচ্ছিল

রান তাড়ার শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

লক্ষ্য ২৭৪ রান। প্রথম দুই ওভার দেখে খেললেও এরপর ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ। ১৫ রান তুলতে হারিয়ে বসেছে ৩ উইকেট।

শাহিন শাহ আফ্রিদিকে বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিম, ৭ বলে করেন মাত্র ১ রান। পরের বলেই আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে মিডঅফে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সাইফ হাসান (১২ বলে ১২)।

নাজমুল হোসেন শান্ত আরও একবার দৃষ্টিকটু আউট হয়েছেন। শাহিন আফ্রিদির বলে ব্যাট পাতার আগেই উড়ে যায় স্টাম্প। ফেরেন শূন্য রানে।

এর আগে বিনা উইকেটে ১০৩, একটা সময় ৩ উইকেটে ২৩১ রান তুলে ফেলেছিল পাকিস্তান। মনে হচ্ছিল, স্কোর অনায়াসে ৩০০-৩৫০ হয়ে যাবে। তবে বাংলাদেশের বোলাররা সেটা করতে দেননি।

মেহেদী হাসান মিরাজের বুদ্ধিদীপ্ত এক রানআউটের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। ৪৩ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় পাকিস্তান। ৪৭.৩ ওভারে অলআউট হয় ২৭৪ রানে।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। তবে এবার আর আগের ম্যাচের মতো ভুল করেনি পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহান আর মাজ সাদাকাত ১৩ ওভারের আগেই দলকে পার করে দেন ১০০ রানের গণ্ডি।

কিছুতেই উইকেটের দেখা পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। অবশেষে ১০৩ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৩১ বলে টি-টোয়েন্টি মেজাজে ফিফটি করা মাজ সাদাকাতকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৪৬ বলে ৬ চার আর ৫ ছক্কায় সাদাকাত করেন ৭৫।

এরপর আরেক ওপেনার সাহিবজাদাকে তুলে নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের বলে ডিপ থার্ডম্যানে তাওহিদ হৃদয়কে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাহিবজাদা (৩১)। নাহিদ রানার বলে পুল করতে গিয়ে থার্ড ম্যানে মোস্তাফিজুর রহমানকে ক্যাচ দেন শামিল হোসেন (৬)।

১৯ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেটে আবার জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান আর সালমান আলি আগা। ১১৫ বলে ১০৯ রানের জুটিটি ভাঙে বিতর্কিত এক রানআউটে।

সালমান আগা ননস্ট্রাইকে কিছুটা বেরিয়ে গিয়েছিলেন। বোলার মিরাজ আস্তে করে বল ধরে তিনি বুঝে ওঠার আগেই স্টাম্প ভেঙে দেন। আগা এই আউট মানতে পারেননি, বেরিয়ে যাওয়ার সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি ব্যাট আর হেলমেট ছুড়েও ফেলেন। ৬২ বলে ৬৪ রান আসে আগার ব্যাট থেকে।

এর এক বল পরেই উইকেট বিলিয়ে দেন আরেক সেট ব্যাটার রিজওয়ান (৪৪)। হুসাইন তালাতকে (৯) বোল্ড করেন রিশাদ হোসেন। ৭ বলে ১১ করে রানআউট হন আবদুল সামাদ। ২৫৪ রানে পাকিস্তান হারায় ৭ উইকেট।

এরপর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি সফরকারীরা। ইনিংসের ১৫ বল বাকি থাকতে অলআউট হয়েছে ২৭৪ রানে।

রিশাদ হোসেন ৩টি আর মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow