রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে প্রাণ গেল সুরুজের, পরিবারে মাতম

একটু উন্নত জীবিকার সন্ধানে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগড়াছড়া এলাকার বাসিন্দা সুরুজ কাজী (৩২)। পরে তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেন। অবশেষে যুদ্ধক্ষেত্রেই নিহত হয়েছেন তিনি। তিনদিন আগে মারা গেলেও বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে বিষয়টি জানতে পারে তার পরিবার। নিহত সুরুজ কাজী মাদারীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগড়াছড়া এলাকার শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে রাশিয়ায় যান সুরুজ কাজী। সেখানে বিভিন্ন কাজ করার পর একপর্যায়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হন। যুদ্ধে তিনদিন আগে মারা গেলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়ায় থাকা পরিচিত একজনের মাধ্যমে খবর পায় তার পরিবার। নিহতের আত্মীয় রহমত আলী বলেন, ‌‘সংসারের হাল ধরতে বিদেশে গিয়েছিল সুরুজ। কে জানতো যুদ্ধেই তার প্রাণ চলে যাবে! আমরা তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাই।’ নিহতের প্রতিবেশী রবিন বলেন, ‘সুরুজ খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। পরিবারের জন্য নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছিল। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া খুব কষ্টের।’ আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এসআর/জেআইএম

রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে প্রাণ গেল সুরুজের, পরিবারে মাতম

একটু উন্নত জীবিকার সন্ধানে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগড়াছড়া এলাকার বাসিন্দা সুরুজ কাজী (৩২)। পরে তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেন। অবশেষে যুদ্ধক্ষেত্রেই নিহত হয়েছেন তিনি।

তিনদিন আগে মারা গেলেও বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে বিষয়টি জানতে পারে তার পরিবার।

নিহত সুরুজ কাজী মাদারীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগড়াছড়া এলাকার শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে রাশিয়ায় যান সুরুজ কাজী। সেখানে বিভিন্ন কাজ করার পর একপর্যায়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হন। যুদ্ধে তিনদিন আগে মারা গেলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়ায় থাকা পরিচিত একজনের মাধ্যমে খবর পায় তার পরিবার।

নিহতের আত্মীয় রহমত আলী বলেন, ‌‘সংসারের হাল ধরতে বিদেশে গিয়েছিল সুরুজ। কে জানতো যুদ্ধেই তার প্রাণ চলে যাবে! আমরা তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাই।’

নিহতের প্রতিবেশী রবিন বলেন, ‘সুরুজ খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। পরিবারের জন্য নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছিল। তার এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া খুব কষ্টের।’

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow