রেস্তোরাঁর মতো পুরি বানাবেন যেভাবে

গরম গরম মুচমুচে পুরি খেতে কে না ভালোবাসেন। বিকেলের নাশতা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে পুরি দারুণ জনপ্রিয়। তবে বাড়িতে পুরি বানাতে গিয়ে অনেকেই একটি সাধারণ সমস্যায় পড়েন। বেলার সময় পুরি ছিঁড়ে যায়, আবার তেলে দেওয়ার পর ভেতরের পুর বেরিয়ে আসে। ফলে পুরির স্বাদ, আকৃতি ও মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। অথচ কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললেই প্রতিবারই বানাতে পারবেন একদম দোকানের মতো ফুলে ওঠা, মচমচে পুরি। ডো মাখার সময়েই শুরুতে যা করতে হবে পারফেক্ট পুরি তৈরির প্রথম শর্ত হলো সঠিকভাবে ময়দা বা আটা মাখা। ডো যদি খুব শক্ত হয়, তাহলে বেলার সময় ফেটে যাবে। আবার বেশি নরম হলে পুর ভরার পর আকৃতি ধরে রাখতে পারবে না। তাই মাঝারি নরম ডো তৈরি করুন। ডো মাখার সময় সামান্য ঘি বা তেল দিয়ে ময়ান দিলে পুরি আরও খাস্তা হয় এবং সহজে ছিঁড়ে যায় না। পুর ঠান্ডা করে নেওয়া অনেকেই গরম বা কুসুম গরম পুর দিয়ে পুরি বানান। এতে পুরের ভেতরের আর্দ্রতা বেড়ে যায় এবং বেলার সময় ডো নরম হয়ে ফেটে যায়। তাই আলুর পুর, ডালের পুর বা অন্য যেকোনো পুর সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়ার পর ব্যবহার করুন। এতে পুর শক্ত থাকবে এবং পুরি ভাজার সময় বেরিয়ে আসবে না। অতিরিক্ত পুর না দেওয়া পুর বেশি দিলে পুর

রেস্তোরাঁর মতো পুরি বানাবেন যেভাবে

গরম গরম মুচমুচে পুরি খেতে কে না ভালোবাসেন। বিকেলের নাশতা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে পুরি দারুণ জনপ্রিয়। তবে বাড়িতে পুরি বানাতে গিয়ে অনেকেই একটি সাধারণ সমস্যায় পড়েন।

বেলার সময় পুরি ছিঁড়ে যায়, আবার তেলে দেওয়ার পর ভেতরের পুর বেরিয়ে আসে। ফলে পুরির স্বাদ, আকৃতি ও মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। অথচ কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললেই প্রতিবারই বানাতে পারবেন একদম দোকানের মতো ফুলে ওঠা, মচমচে পুরি।

ডো মাখার সময়েই শুরুতে যা করতে হবে

পারফেক্ট পুরি তৈরির প্রথম শর্ত হলো সঠিকভাবে ময়দা বা আটা মাখা। ডো যদি খুব শক্ত হয়, তাহলে বেলার সময় ফেটে যাবে। আবার বেশি নরম হলে পুর ভরার পর আকৃতি ধরে রাখতে পারবে না। তাই মাঝারি নরম ডো তৈরি করুন। ডো মাখার সময় সামান্য ঘি বা তেল দিয়ে ময়ান দিলে পুরি আরও খাস্তা হয় এবং সহজে ছিঁড়ে যায় না।

পুর ঠান্ডা করে নেওয়া

অনেকেই গরম বা কুসুম গরম পুর দিয়ে পুরি বানান। এতে পুরের ভেতরের আর্দ্রতা বেড়ে যায় এবং বেলার সময় ডো নরম হয়ে ফেটে যায়। তাই আলুর পুর, ডালের পুর বা অন্য যেকোনো পুর সম্পূর্ণ ঠান্ডা হওয়ার পর ব্যবহার করুন। এতে পুর শক্ত থাকবে এবং পুরি ভাজার সময় বেরিয়ে আসবে না।

অতিরিক্ত পুর না দেওয়া

পুর বেশি দিলে পুরি দেখতে ভালো লাগলেও বেলার সময় সেটি ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। পরিমিত পরিমাণ পুর ব্যবহার করুন এবং চারপাশের কিনারা ভালোভাবে চেপে বন্ধ করুন। এতে ভাজার সময় পুর বাইরে বের হবে না।

খুব পাতলা করে না বেলা

অনেকেই পুরিকে খুব পাতলা করে বেলে ফেলেন। এতে ডো দুর্বল হয়ে যায় এবং তেলে দিলেই ফেটে যেতে পারে। আবার খুব মোটা রাখলেও ঠিকভাবে ফুলবে না। তাই মাঝারি পুরুত্ব বজায় রেখে আলতো হাতে বেলে নিন।

বেলার পর দুই মিনিট অপেক্ষা করা

এটি অনেকেরই অজানা একটি কার্যকর কৌশল। পুরি বেলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলে না দিয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে মাত্র দুই মিনিট রেখে দিন। এতে ডো কিছুটা সেট হয়ে যায় এবং ভেতরের পুরও স্থির থাকে। ফলে ভাজার সময় ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

তেলের তাপমাত্রা ঠিক রাখা

খুব বেশি গরম তেলে পুরি দিলে বাইরের অংশ দ্রুত শক্ত হয়ে যায়, কিন্তু ভেতরের চাপ বেড়ে পুর ফেটে বেরিয়ে আসতে পারে। আবার খুব ঠান্ডা তেলে দিলে পুরি অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়। তাই মাঝারি গরম তেলে কম থেকে মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে ভাজুন। এতে পুরি সুন্দরভাবে ফুলবে এবং সমানভাবে সোনালি রং ধারণ করবে।

পুরি বানানোর আগে সব উপকরণ প্রস্তুত রাখুন, ডোকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিন এবং পুরি ভাজার সময় একসঙ্গে বেশি পুরি তেলে দেবেন না। প্রতিটি পুরিকে পর্যাপ্ত জায়গা দিলে তা সুন্দরভাবে ফুলে ওঠে।

এই কয়েকটি বিষয় মেনে চললেই আপনার তৈরি পুরিও হবে একেবারে দোকানের মতো মুচমুচে, ফুলে ওঠা এবং সুস্বাদু। এরপর আর পুর ফেটে বেরিয়ে আসার চিন্তা করতে হবে না।

সূত্র: দ্য ভেজিটেরিয়ান রুটস

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow