লন্ডনের হাউন্সলোতে বাঙালির হাতের ছোঁয়া এবং সুস্বাদু পিৎজা
ইংল্যান্ডের হাউন্সলোর বৈচিত্র্যময় খাদ্য সংস্কৃতিতে বাঙালির ঐতিহ্য ও ভালোবাসার ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এক অভিনব স্বাদের পিৎজা। প্রবাসী বাঙালির রান্নার জাদুতে এখন মেতে উঠেছে স্থানীয় ফুডপ্রেমীরা। প্রবাসী বাঙালি উদ্যোক্তাদের হাত ধরে হাউন্সলে ফাস্টফুডের বাজারে আসছে নতুন বৈচিত্র্য। প্রচলিত ইতালিয়ান স্বাদের সাথে দেশি মসলা ও বাঙালির হাতের ছোঁয়া যোগ করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ পিৎজা। তাছাড়া স্থানীয় কমিউনিটিতে এই সুস্বাদু ও ভিন্নধর্মী খাবারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের লন্ডনের হাউন্সস্লো এলাকায় প্রবাসী বাঙালিরা ব্যবসা ও কমিউনিটি জীবনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন এক নিজস্ব পরিচিতি। ঐতিহ্য, কঠোর পরিশ্রম আর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে এখানকার বাঙালি মুখগুলো বিদেশের মাটিতেও তুলে ধরেছে শেকড়ের টান। আজ কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং সফলতার এক অনন্য প্রতীক। প্রবাসের অচেনা পরিবেশে নিজেদের শেকড় টিকিয়ে রেখে তারা গড়ে তুলেছেন সাফল্যের বহু নতুন অধ্যায়। পরিবারসহ বসবাসরত বাঙালি অনেকেই রয়েছেন। এখানে প্রায় ৭৫টি পরিবার শুধু চট্টগ্রামেরই আছেন। করছেন নানা ব্যবসাও। হাউন্সস্লোর রিচমন্ড রোডের Tops Pizza hallo Richmond একটি জনপ্
ইংল্যান্ডের হাউন্সলোর বৈচিত্র্যময় খাদ্য সংস্কৃতিতে বাঙালির ঐতিহ্য ও ভালোবাসার ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এক অভিনব স্বাদের পিৎজা। প্রবাসী বাঙালির রান্নার জাদুতে এখন মেতে উঠেছে স্থানীয় ফুডপ্রেমীরা।
প্রবাসী বাঙালি উদ্যোক্তাদের হাত ধরে হাউন্সলে ফাস্টফুডের বাজারে আসছে নতুন বৈচিত্র্য। প্রচলিত ইতালিয়ান স্বাদের সাথে দেশি মসলা ও বাঙালির হাতের ছোঁয়া যোগ করে তৈরি হচ্ছে বিশেষ পিৎজা। তাছাড়া স্থানীয় কমিউনিটিতে এই সুস্বাদু ও ভিন্নধর্মী খাবারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের লন্ডনের হাউন্সস্লো এলাকায় প্রবাসী বাঙালিরা ব্যবসা ও কমিউনিটি জীবনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন এক নিজস্ব পরিচিতি। ঐতিহ্য, কঠোর পরিশ্রম আর সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে এখানকার বাঙালি মুখগুলো বিদেশের মাটিতেও তুলে ধরেছে শেকড়ের টান।
আজ কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং সফলতার এক অনন্য প্রতীক। প্রবাসের অচেনা পরিবেশে নিজেদের শেকড় টিকিয়ে রেখে তারা গড়ে তুলেছেন সাফল্যের বহু নতুন অধ্যায়।
পরিবারসহ বসবাসরত বাঙালি অনেকেই রয়েছেন। এখানে প্রায় ৭৫টি পরিবার শুধু চট্টগ্রামেরই আছেন। করছেন নানা ব্যবসাও।
হাউন্সস্লোর রিচমন্ড রোডের Tops Pizza hallo Richmond একটি জনপ্রিয় পিৎজা ডেলিভারি ও টেকঅ্যাওয়ে শপ, যা রিচমন্ড এলাকায় গরম ও সুস্বাদু পিৎজা সরবরাহ করে। খোলার সময়- সাধারণত বেলা সাড়ে ১১টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত খোলা থাকে (শুক্র ও শনিবারে রাত ২টা পর্যন্ত)। এখানে অর্ডার সরাসরি দোকানে গিয়ে টেকঅ্যাওয়ে নিতে পারেন অথবা তাদের ওয়েবসাইট ও অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার করতে পারেন।
রিচমন্ড এলাকায় পিৎজার দোকানটি পরিচালনা করেন বসবাসরত বাঙালি জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে পরিবারসহ এখানে আছি। এসব পিৎজার দোকান আরো অনেকেই করছেন। এখানে খাবার ও সেবার মানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালিরা এই দেশে ব্যবসা ও চাকরি করে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। তবে সবমিলে দেশের জন্য সবাই কাজ করছেন বলে জানান তিনি।
বাঙালিরা কী ধরনের ব্যবসা করছেন
খাদ্য ও ক্যাটারিং শিল্প: হাউন্সলো এবং এর আশপাশের বাজারে বাঙালিরা ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ-এশিয়ান কারি হাউজ ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
গ্রোসারি ও খুচরা দোকান: স্থানীয় বাজারে দক্ষিণ এশীয় ও হালাল পণ্যের ছোট দোকান বা গ্রোসারি শপে অনেক বাঙালি উদ্যোক্তা যুক্ত আছেন।
অন্যান্য সেবাখাত: খুচরা মুদি দোকান, প্রপার্টি রেন্টাল এবং বিভিন্ন লোকাল সার্ভিসের সাথেও এই এলাকার কিছু বাঙালি যুক্ত রয়েছেন।
লন্ডনের হাউন্সলো (Hounslow) এলাকায় সামগ্রিক দক্ষিণ এশীয় ও ভারতীয় জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও বাঙালি বা বাংলাদেশি জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় ১ শতাংশেরও কম)। এখানে বসবাসকারী বাঙালিরা প্রধানত রেস্তোরাঁ, খুচরা ব্যবসা এবং নানা ছোট-বড় স্থানীয় পেশার সঙ্গে যুক্ত আছেন।
হাউন্সলোর ইতিহাস ও পটভূমি
প্রাচীন ও মধ্যযুগ: ১২১১ সালে তৈরি হওয়া হোল ট্রিনিটি প্রিয়রি (Holy Trinity Priory) কে কেন্দ্র করে হাউন্সলোর গোড়াপত্তন হয়। এটি লন্ডন থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্য একটি পরিচিত স্থান ছিল।
শিল্পায়ন ও যোগাযোগ: ১৯৫০-এর দশকে হিথরো বিমানবন্দরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এবং ১৯২০-এর দশকে গ্রেট ওয়েস্ট রোড তৈরির ফলে এখানে অনেক কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
What's Your Reaction?