লোকালয়ে ঢুকে শিয়ালের কামড়, শিশু ও নারীসহ আহত ১৪
গাজীপুরের শ্রীপুরে লোকালয়ে ঢুকে পড়া বন্য শিয়ালের কামড়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের পটকা এবং শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি এলাকায় পৃথকভাবে এসব ঘটনা ঘটে।
শিয়ালের কামড়ে আহত মো. আকাশ (১৩), নাঈম (১১), মাজেদা (৪৫), রোজিনা (৩৬), হেলেনা আক্তার (৪০), আশরাফুল ইসলাম (২৬), শেফালী (৩৪), সাইফুন্নাহার (২৩) ও আরাফ (১৪)। আহত অন্যান্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ভাংনাহাটি গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল মিয়া বলেন, শ্রীপুর উপজেলার আশপাশে শাল-গজারি বনে ঘেরা। বনগুলো পশু, প্রাণী ও পাখিদের বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়ছে। প্রায়ই শিয়াল বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি কামিল মাদ্রাসার পাশে একটি বসতঘরে ঢুকে শিয়াল দুই নারীকে কামড়ে আহত করে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে শিয়া
গাজীপুরের শ্রীপুরে লোকালয়ে ঢুকে পড়া বন্য শিয়ালের কামড়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর জখম একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের পটকা এবং শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি এলাকায় পৃথকভাবে এসব ঘটনা ঘটে।
শিয়ালের কামড়ে আহত মো. আকাশ (১৩), নাঈম (১১), মাজেদা (৪৫), রোজিনা (৩৬), হেলেনা আক্তার (৪০), আশরাফুল ইসলাম (২৬), শেফালী (৩৪), সাইফুন্নাহার (২৩) ও আরাফ (১৪)। আহত অন্যান্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ভাংনাহাটি গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল মিয়া বলেন, শ্রীপুর উপজেলার আশপাশে শাল-গজারি বনে ঘেরা। বনগুলো পশু, প্রাণী ও পাখিদের বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়ছে। প্রায়ই শিয়াল বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি কামিল মাদ্রাসার পাশে একটি বসতঘরে ঢুকে শিয়াল দুই নারীকে কামড়ে আহত করে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে শিয়ালের কামড়ে আহত ১৪ জন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ১৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা, ক্ষত পরিষ্কার করা এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফ হোসেন বলেন, বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বনের শিয়ালের গর্তে পানি প্রবেশ করেছে। পাশাপাশি খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ায় তারা লোকালয়ে চলে আসে। লোকালয়ে আসা বন্য প্রাণীর আচরণ অস্বাভাবিক মনে হলে প্রাণীকে উত্ত্যক্ত না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। শিয়ালের কামড় বা আঁচড়ের পর অবশ্যই জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করতে হবে।