শান্তি আলোচনা ঘিরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপড়েন, যে ইস্যুগুলোতে বিরোধ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনায় এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, হরমুজ প্রণালি, যুদ্ধবিরতি ও নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনে দেওয়া বক্তব্যে জানিয়েছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে সরে আসবে না তেহরান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রস্তাবে আগামী দুই দশক ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার কথা বলেছে। তবে তেহরান এই সময়সীমাকে অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরান আরও জানিয়েছে, লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় যাবে না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে। হরমুজ প্রণালি নিয়েও দুই পক্ষের টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে। ইরান চেয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগে তাদের আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করুক। কিন্তু ওয়াশিংটনের অবস্থান, আগে ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। এছাড়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। তবে এই দাবি স

শান্তি আলোচনা ঘিরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপড়েন, যে ইস্যুগুলোতে বিরোধ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনায় এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, হরমুজ প্রণালি, যুদ্ধবিরতি ও নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনে দেওয়া বক্তব্যে জানিয়েছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার থেকে সরে আসবে না তেহরান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রস্তাবে আগামী দুই দশক ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার কথা বলেছে। তবে তেহরান এই সময়সীমাকে অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরান আরও জানিয়েছে, লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় যাবে না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে। হরমুজ প্রণালি নিয়েও দুই পক্ষের টানাপড়েন অব্যাহত রয়েছে। ইরান চেয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগে তাদের আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করুক। কিন্তু ওয়াশিংটনের অবস্থান, আগে ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। এছাড়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান আরও দাবি করেছে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলোসহ পুরো অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যু, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সন্ত্রাসবাদে মদদ সংক্রান্ত সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। তবে এসব দাবির কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত সম্মতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র : আল জাজিরা

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow