শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া কেউ সাংবাদিক হতে পারবেন না

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশার মানোন্নয়ন ও অপসাংবাদিকতা রোধে দ্রুতই নতুন নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার। এখন থেকে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদার সনদ ছাড়া কেউ এই পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুর জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় বিচারপতি আব্দুল হাকিম বলেন, বিশ্বের প্রতিটি স্বীকৃত পেশার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। চিকিৎসক হতে হলে বিএমডিসি এবং আইনজীবী হতে হলে বার কাউন্সিলের সনদ প্রয়োজন হয়। অথচ সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় হাতে কলম, ক্যামেরা বা মোবাইল ফোন থাকলেই যে কেউ নিজেকে সাংবাদিক দাবি করছেন। ফলে সমাজে অপসাংবাদিকতা বাড়ছে, যা মূলধারার সাংবাদিকতাকে কলঙ্কিত করছে। প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার রক্ষায় শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সাংবাদিকরাও মূলত শ্রমিক, তাই দাবি-দাওয়া

শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া কেউ সাংবাদিক হতে পারবেন না

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশার মানোন্নয়ন ও অপসাংবাদিকতা রোধে দ্রুতই নতুন নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে সরকার। এখন থেকে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদার সনদ ছাড়া কেউ এই পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুর জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় বিচারপতি আব্দুল হাকিম বলেন, বিশ্বের প্রতিটি স্বীকৃত পেশার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। চিকিৎসক হতে হলে বিএমডিসি এবং আইনজীবী হতে হলে বার কাউন্সিলের সনদ প্রয়োজন হয়। অথচ সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় হাতে কলম, ক্যামেরা বা মোবাইল ফোন থাকলেই যে কেউ নিজেকে সাংবাদিক দাবি করছেন। ফলে সমাজে অপসাংবাদিকতা বাড়ছে, যা মূলধারার সাংবাদিকতাকে কলঙ্কিত করছে।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার রক্ষায় শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সাংবাদিকরাও মূলত শ্রমিক, তাই দাবি-দাওয়া আদায়ে তাদের শ্রমিক ইউনিয়ন থাকা এবং যথাযথ নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এটি ছাড়া আইনি প্রক্রিয়ায় অধিকার আদায় করা সম্ভব নয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়। কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) আবদুস সবুর। এতে জেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow