শ্যামনগর প্রেস ক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন, উত্তেজনায় মারধর
সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছামিউল ইমাম আযম ওরফে মনিরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (০২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘শ্যামনগরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ’ ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিছিলটি উপজেলা পরিষদসংলগ্ন প্রেস ক্লাব চত্বরে গিয়ে মানববন্ধনে রূপ নেয়।
চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, ব্যবসায়ীকে মারধর এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ তুলে ছামিউল ইমাম আযমের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
কর্মসূচি চলাকালে উত্তেজনার একপর্যায়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ছামিউল ইমাম আযম মনির শ্যামনগর উপজেলার বাধঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রয়াত উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ছেলে এবং দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পত্রদূতের শ্যামনগর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মানববন্ধন চলাকালে ছামিউল মনির মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রবেশ করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্
সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছামিউল ইমাম আযম ওরফে মনিরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (০২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘শ্যামনগরের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ’ ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিছিলটি উপজেলা পরিষদসংলগ্ন প্রেস ক্লাব চত্বরে গিয়ে মানববন্ধনে রূপ নেয়।
চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, ব্যবসায়ীকে মারধর এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ তুলে ছামিউল ইমাম আযমের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা।
কর্মসূচি চলাকালে উত্তেজনার একপর্যায়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ছামিউল ইমাম আযম মনির শ্যামনগর উপজেলার বাধঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রয়াত উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ছেলে এবং দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পত্রদূতের শ্যামনগর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মানববন্ধন চলাকালে ছামিউল মনির মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রবেশ করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী তাকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে এনে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকির হোসেন জানান, তার শরীরে গুরুতর জখমের চিহ্ন নেই এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি চাঁদাবাজি, জমি দখল, ব্যবসায়ীকে মারধর ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে বালুমহল ইজারাসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় অর্থ আদায়ের অভিযোগও তোলেন তারা।
নকীপুরের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম ও বাধঘাটার আজগার আলী দাবি করেন, বালুমহল ইজারাদারদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি, সাংবাদিকদের হুমকি এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধে পক্ষ নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে মারধরের অভিযোগও উল্লেখ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘যুবলীগ-যুবদল-যুব বিভাগ মিলে খোলপেটুয়া-কপোতাক্ষ নদের বালু লুট’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর বলেন, ছামিউল মনির বিভিন্ন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন এবং অর্থ দাবি করেছেন। মানববন্ধনের সময় গালিগালাজকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।
শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেয়। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি ঘিরে শ্যামনগরে রাজনৈতিক ও সাংবাদিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর তদন্তের পরই প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।