সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা নাছিফসহ দুজন কারাগারে
শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা ফারহান তানভীর নাছিফ (২৪) এবং মাইক্রোবাসচালক রুবেল মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (২ মে) এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান। আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, আজ গ্রেফতারের পর দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এ বিষয়ে শুনানির জন্য রোববার (৩ মে) দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ফারহান তানভীর নাছিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও নাছিফ তার অনুসারীদের নিয়ে গোপনে সংগঠনের কার্যক্রম চালু রাখতে এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের সামনে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জড়ো হয়ে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা
শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা ফারহান তানভীর নাছিফ (২৪) এবং মাইক্রোবাসচালক রুবেল মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (২ মে) এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, আজ গ্রেফতারের পর দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এ বিষয়ে শুনানির জন্য রোববার (৩ মে) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ফারহান তানভীর নাছিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও নাছিফ তার অনুসারীদের নিয়ে গোপনে সংগঠনের কার্যক্রম চালু রাখতে এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।
পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের সামনে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জড়ো হয়ে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিও জানায়। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে নাছিফ ও রুবেল মিয়াকে একটি মাইক্রোবাসসহ আটক করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি সদস্যরা পালিয়ে যায় বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সক্রিয় করতে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে ভূমিকা রাখছিল। তাদের জামিন দিলে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তদন্তের স্বার্থে তাদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়।
এদিকে, মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
এমডিএএ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?