সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড
সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের মামলায় রুপম চৌধুরী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।২০১৯ সালে রুপমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি রুপম চৌধুরী (৪১) আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত রুপম চৌধুরী প্রকাশ রূপন চৌধুরী ওরফে রিপন চৌধুরী বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী এলাকার দয়াল চৌধুরীর ছেলে। বর্তমানে তিনি নগরের হালিশহর মধ্যম নাথপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে একই আদালত গত ১৩ এপ্রিল মাদক কারবারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অন্য একটি মামলায় রুপম চৌধুরী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী চৌধুরীকে ৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৯ সালে একটি দৈনিকে ‘ইয়াবা রূপম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুদক বিষয়টি আমলে নেয়। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে রুপম চৌধুরী ও তার স্
সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের মামলায় রুপম চৌধুরী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।২০১৯ সালে রুপমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি রুপম চৌধুরী (৪১) আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত রুপম চৌধুরী প্রকাশ রূপন চৌধুরী ওরফে রিপন চৌধুরী বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী এলাকার দয়াল চৌধুরীর ছেলে। বর্তমানে তিনি নগরের হালিশহর মধ্যম নাথপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে একই আদালত গত ১৩ এপ্রিল মাদক কারবারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অন্য একটি মামলায় রুপম চৌধুরী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী চৌধুরীকে ৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৯ সালে একটি দৈনিকে ‘ইয়াবা রূপম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুদক বিষয়টি আমলে নেয়। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে রুপম চৌধুরী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা চৌধুরীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর ২০২১ সালে দুদক তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয়।
রুপম চৌধুরী নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করলেও যাচাই-বাছাইয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য গোপনের বিষয়টি উদ্ঘাটিত হয়। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রুপম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুলগাঁও এলাকায় জমি ও একটি ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছিল।
দুদক জানায়, আসামি রুপম চৌধুরী দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৩৮ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৮৩০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। এছাড়া তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন বলেন, মাদকের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি রুপম চৌধুরীকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
What's Your Reaction?