সরিষাবাড়ীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক: গ্রামবাসী আতঙ্কে

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে হঠাৎ করে পাগলা কুকুরের উপদ্রব ও আক্রমণের ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত চার দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আওনা, সাতপোয়া, মহাদান, কামরাবাদ ও পৌর এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জলাতঙ্ক দূরীকরণ ও বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার উপজেলার আওনা ইউনিয়নের ধনচারচর এলাকার দুলাল মিয়া (৫৮), আয়শা (৩৮), হাসনা (১৮), সাতপোয়া ইউনিয়নের মুক্তা (৫২), হাবিবুর রহমান (২৮), আনোয়ারা (৫০), সালমা (৫৫), কামরাবাদ ইউপির ইসমাইল (৭), সাজু (১৩), মঞ্জু (৮), শনিবার পৌরসভার চক হাটবাড়ি এলাকার রহিমা (৩৫), মায়া (৩০), আ. রহমান (৫), আয়াত হাসান (৬), সৈয়দপুর এলাকার সুলতান (৬৫) সহ প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ ও শিশু কুকুরের কামড়ে আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এ ছাড়াও মহাদান, আওনা, পিংনা ও সাতপোয়া, কামরাবাদ, পৌর এলাকার হাটবাড়ী, ঝালুপাড়া, আরামনগর, শিমলা বাজার, বাউসিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বেওয়ারিশ ও পাগলা কুকুর র

সরিষাবাড়ীতে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত অর্ধশতাধিক: গ্রামবাসী আতঙ্কে

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে হঠাৎ করে পাগলা কুকুরের উপদ্রব ও আক্রমণের ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত চার দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আওনা, সাতপোয়া, মহাদান, কামরাবাদ ও পৌর এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জলাতঙ্ক দূরীকরণ ও বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার উপজেলার আওনা ইউনিয়নের ধনচারচর এলাকার দুলাল মিয়া (৫৮), আয়শা (৩৮), হাসনা (১৮), সাতপোয়া ইউনিয়নের মুক্তা (৫২), হাবিবুর রহমান (২৮), আনোয়ারা (৫০), সালমা (৫৫), কামরাবাদ ইউপির ইসমাইল (৭), সাজু (১৩), মঞ্জু (৮), শনিবার পৌরসভার চক হাটবাড়ি এলাকার রহিমা (৩৫), মায়া (৩০), আ. রহমান (৫), আয়াত হাসান (৬), সৈয়দপুর এলাকার সুলতান (৬৫) সহ প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ ও শিশু কুকুরের কামড়ে আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। এ ছাড়াও মহাদান, আওনা, পিংনা ও সাতপোয়া, কামরাবাদ, পৌর এলাকার হাটবাড়ী, ঝালুপাড়া, আরামনগর, শিমলা বাজার, বাউসিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বেওয়ারিশ ও পাগলা কুকুর রাস্তাঘাট, হাটবাজার এবং বাড়ির আঙিনায় যাকে পাচ্ছে তাকেই কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করছে।

স্থানীয়রা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রশাসন জলাতঙ্ক দূরীকরণে কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি, সচেতনতা বৃদ্ধি ও বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। কুকুরের কামড়ে আহতদের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, সময়মতো হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রাজবংশী বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন কুকুর, সাপ ও বিড়ালের কামড়ে আহত হয়ে রোগী আসছে। গত কয়েকদিনে অর্ধশতাধিক মানুষকে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মওজুদ আছে।

পৌর প্রশাসক লিজা রিছিল বলেন, পাগলা কুকুরের কামড়ের বিষয় জেনেছি। প্রশাসক হিসাবে এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow