সহাবস্থানের মাধ্যমে সাম্যের চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে: মেয়র

ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা সম্প্রদায়ের বিভেদ নয় বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে সাম্যের চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) নগরীর বাকলিয়ায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সৎসঙ্গ বিহার চট্টগ্রামে পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রী বড়মার ১৩৩তম শুভ আবির্ভাব দিবস ও সৎসঙ্গ বিহার চট্টগ্রামের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। চসিক মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই ঐতিহ্য আরও শক্তিশালী করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও সহনশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে। বিভেদ নয়, ঐক্যই হবে উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল শক্তি। তিনি বলেন, একটি সভ্য সমাজ গঠনে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা দেয়, তা সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আরও পড়ুন কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমে

সহাবস্থানের মাধ্যমে সাম্যের চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে: মেয়র

ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা সম্প্রদায়ের বিভেদ নয় বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে সাম্যের চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) নগরীর বাকলিয়ায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সৎসঙ্গ বিহার চট্টগ্রামে পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রী বড়মার ১৩৩তম শুভ আবির্ভাব দিবস ও সৎসঙ্গ বিহার চট্টগ্রামের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

চসিক মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই ঐতিহ্য আরও শক্তিশালী করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও সহনশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে। বিভেদ নয়, ঐক্যই হবে উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল শক্তি।

তিনি বলেন, একটি সভ্য সমাজ গঠনে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা দেয়, তা সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তুলতে কাজ করছে। নাগরিক সেবায় কোনো ধর্ম বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে নয়, বরং সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই সিটি করপোরেশনের লক্ষ্য। এমন একটি চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রত্যেকে মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিয়ে বসবাস করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকলে উন্নয়ন কার্যক্রমও আরও গতিশীল হয়। তাই সম্প্রীতির পরিবেশ অটুট রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী, বিএনপি নেতা নুরু হোসেন নুরু, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব ধর তমাল এবং সৎসঙ্গ বাংলাদেশের সহ-সম্পাদক সুব্রত আদিত্য।

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দেবের সভাপতিত্বে এবং মোহন সেন গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সৎসঙ্গের আদর্শ, মানবকল্যাণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এমআরএএইচ/এসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow