সাংবাদিক জাহিদুর রহমানের বাবা মারা গেছেন, সংসদ সদস্যর শোক
এনটিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জাহিদুর রহমানের বাবা আলহাজ মো. মিজানুর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (১১ মে) সকাল পৌনে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় বেশ কিছুদিন ধরেই ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
মরহুম আলহাজ মো. মিজানুর রহমান স্ত্রী, এক ছেলে, দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, ধর্মপ্রাণ ও মানবিক একজন মানুষ। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়াতেন তিনি। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
বাদ জোহর এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সাভার নয়াবাড়ি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে তার মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু কালবেলাকে বলেন, সাংবাদিক জাহিদের বাবার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক এবং সমবেদনা জানাচ্ছি। ঢাকার বাইরে অবস্থান করার কারণে হয়তো জানাজায় উপস্থিত হওয়া সম্ভব হবে না। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
প্রথি
এনটিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জাহিদুর রহমানের বাবা আলহাজ মো. মিজানুর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (১১ মে) সকাল পৌনে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় বেশ কিছুদিন ধরেই ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
মরহুম আলহাজ মো. মিজানুর রহমান স্ত্রী, এক ছেলে, দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, ধর্মপ্রাণ ও মানবিক একজন মানুষ। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়াতেন তিনি। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
বাদ জোহর এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সাভার নয়াবাড়ি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে তার মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু কালবেলাকে বলেন, সাংবাদিক জাহিদের বাবার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক এবং সমবেদনা জানাচ্ছি। ঢাকার বাইরে অবস্থান করার কারণে হয়তো জানাজায় উপস্থিত হওয়া সম্ভব হবে না। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
প্রথিতযশা এই সাংবাদিকের বাবার মৃত্যুতে সাভারের রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
সহকর্মীরা বলেন, একজন সন্তানের জন্য বাবার ছায়া হারানো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শূন্যতার একটি। সাংবাদিক জাহিদুর রহমানের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে তার সহকর্মীরাও গভীরভাবে মর্মাহত। মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছে পরিবার।
এদিকে তার মৃত্যুতে সাভারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল ও বাড়ির পরিবেশ।