সাগরে দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ নিয়ে এলেন দুই ছেলে
বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন নূরে আলম নামে এক জেলে। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা সাঁতার কেটে বাবার মরদেহ তীরে নিয়ে এসেছেন তার দুই ছেলে। শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের বয়ার চর-সংলগ্ন মেঘনা ও সাগরের মোহনায় এই ঘটনা ঘটে। নূরে আলম (৪৫) ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে দুই ছেলে শাহিন ও শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে সাগরে যান নূরে আলম। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে প্রবল ঝড় শুরু হয়। মুহূর্তেই উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর, সৃষ্টি হয় বিশাল সব ঢেউ। ঝড়ের তীব্রতায় একপর্যায়ে তাদের মাছ ধরা নৌকাটি উল্টে যায়। নৌকা ডুবে গেলে তিনজনেই জীবন বাঁচাতে সাঁতরাতে শুরু করেন। দুই ছেলে তাদের বাবাকে ধরে রেখে তীরে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। কিন্তু দীর্ঘ সময় ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার একপর্যায়ে নূরে আলম নিস্তেজ হয়ে পড়েন। তবুও হাল ছাড়েননি সন্তানরা। নিজেদের প্রাণ রক্ষার চেয়েও বাবার নিথর দেহ আগলে রাখেন তারা। টানা দুই ঘণ্টা সাঁতরে শেষ
বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন নূরে আলম নামে এক জেলে। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা সাঁতার কেটে বাবার মরদেহ তীরে নিয়ে এসেছেন তার দুই ছেলে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের বয়ার চর-সংলগ্ন মেঘনা ও সাগরের মোহনায় এই ঘটনা ঘটে। নূরে আলম (৪৫) ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে দুই ছেলে শাহিন ও শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে সাগরে যান নূরে আলম। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে প্রবল ঝড় শুরু হয়। মুহূর্তেই উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর, সৃষ্টি হয় বিশাল সব ঢেউ। ঝড়ের তীব্রতায় একপর্যায়ে তাদের মাছ ধরা নৌকাটি উল্টে যায়।
নৌকা ডুবে গেলে তিনজনেই জীবন বাঁচাতে সাঁতরাতে শুরু করেন। দুই ছেলে তাদের বাবাকে ধরে রেখে তীরে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালান। কিন্তু দীর্ঘ সময় ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার একপর্যায়ে নূরে আলম নিস্তেজ হয়ে পড়েন। তবুও হাল ছাড়েননি সন্তানরা। নিজেদের প্রাণ রক্ষার চেয়েও বাবার নিথর দেহ আগলে রাখেন তারা। টানা দুই ঘণ্টা সাঁতরে শেষ পর্যন্ত বাবার মরদেহ নিয়ে তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হন শাহিন ও শাকিল।
স্থানীয় বাসিন্দা আনিস বলেন, পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। নদীতে মাছ ধরেই তাদের সংসার চলত। এখন সন্তানদের চোখের পানি থামছে না, তারা প্রায় বাক্রুদ্ধ হয়ে গেছে।
চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। খবর পেয়ে ওই জেলের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
What's Your Reaction?