সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ককটেল হামলা
বরগুনা সদরের কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ককটেল হামলা এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার (১ আগস্ট) রাত পৌনে ৩টার দিকে সদরের ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ঘটবাড়িয়া এলাকায় পুলিশের সাবেক পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আবদুল খালেকের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটবাড়িয়া বাজারে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেন। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা। ভুক্তভোগী আবদুল খালেক ও এলাকাবাসী জানান, ২০২২ সালে পুলিশ পরিদর্শক পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি নিজ গ্রামে বসবাস শুরু করেন। এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ কারণে স্থানীয় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের একটি অংশ তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিল। তাদের দাবি, সম্প্রতি আবদুল খালেকের নেতৃত্বে এলাকাবাসী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক কার
বরগুনা সদরের কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ককটেল হামলা এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
শনিবার (১ আগস্ট) রাত পৌনে ৩টার দিকে সদরের ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ঘটবাড়িয়া এলাকায় পুলিশের সাবেক পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আবদুল খালেকের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটবাড়িয়া বাজারে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন করেন। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
ভুক্তভোগী আবদুল খালেক ও এলাকাবাসী জানান, ২০২২ সালে পুলিশ পরিদর্শক পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি নিজ গ্রামে বসবাস শুরু করেন। এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ কারণে স্থানীয় মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের একটি অংশ তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুব্ধ ছিল।
তাদের দাবি, সম্প্রতি আবদুল খালেকের নেতৃত্বে এলাকাবাসী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এরপর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিতভাবে তার বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ এবং মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে তাদের ধারণা।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা বারেক মৃধা বলেন, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় আবদুল খালেকের ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটবাড়িয়া বাজার আল-হেরা জামে মসজিদের ইমাম আবদুল করিম বলেন, আবদুল খালেক একজন সৎ ও ভালো মানুষ। তিনি এলাকার যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার চেষ্টা করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তার বাড়িতে ককটেল হামলা ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। প্রশাসনের কাছে দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ কালবেলাকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?