সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দ

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।  বুধবার (৮ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান তার আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।  আবেদনে বলা হয়, আসামি আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৭ লাখ এক হাজার ১৯০ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রাখেন। আসামির নামে ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনো তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দ

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান তার আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। 

আবেদনে বলা হয়, আসামি আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৭ লাখ এক হাজার ১৯০ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রাখেন। আসামির নামে ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনো তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি আসাদুজ্জামান নূরের নামে শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow