সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) টানা পাঁচ দফায় ২১ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক সহিংস কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে রিমান্ড জরুরি। আরও পড়ুনহত্যা মামলায় মাসুদ উদ্দিনকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় ডিবি এর জবাবে আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, তার মক্কেল শারীরিকভাবে অসুস্থ, বিশেষ করে হৃদরোগে ভুগছেন। দীর্ঘ ২১ দিনের রিমান্ডে থাকার কারণে তিনি চরম ভোগান্তিতে আছেন এবং এখনো কারাগারে যাওয়ার সুযোগ পাননি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন বারবার তাকে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। শুনানির এক পর্যায়ে আসামির চুল-দাড়ি কাটার বিষয়ে আদালতের অনুমত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড

সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) টানা পাঁচ দফায় ২১ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এসময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও সময় প্রয়োজন।

তিনি দাবি করেন, অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক সহিংস কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে রিমান্ড জরুরি।

আরও পড়ুন
হত্যা মামলায় মাসুদ উদ্দিনকে ফের রিমান্ডে নিতে চায় ডিবি

এর জবাবে আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল চেয়ে বলেন, তার মক্কেল শারীরিকভাবে অসুস্থ, বিশেষ করে হৃদরোগে ভুগছেন। দীর্ঘ ২১ দিনের রিমান্ডে থাকার কারণে তিনি চরম ভোগান্তিতে আছেন এবং এখনো কারাগারে যাওয়ার সুযোগ পাননি। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন বারবার তাকে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

শুনানির এক পর্যায়ে আসামির চুল-দাড়ি কাটার বিষয়ে আদালতের অনুমতির প্রসঙ্গ উঠলে বিচারক এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এমন সাধারণ বিষয় আদালতের নির্দেশনার আওতায় আনা অপ্রয়োজনীয়। পাশাপাশি হেফাজতে কোনো ধরনের নির্যাতন বা অস্বাভাবিক আচরণ না করার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে সতর্ক করেন।

উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত সাত দিনের পরিবর্তে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow