সিরিয়ায় আটকে থাকা নাগরিকদের ফেরত নিতে চায় না অস্ট্রেলিয়া
সিরিয়ায় আটকে থাকা কোনো অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থোনি আলবানিজ। মঙ্গলবার তিনি বলেন, সরকারের নীতি আইএসের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজনদের প্রতি কঠোর থাকবে। আলবানিজে এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, নিয়ম ভেঙে কেউ দেশে ফিরলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অস্ট্রেলিয়ার আইন অনুযায়ী, আইএসকে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা ২৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে পারে এবং দ্বৈত নাগরিকত্বপ্রাপ্তদের নাগরিকত্বও হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি রোজ শিবির থেকে ১১টি আইএস-সংযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান পরিবার দামেস্কে চলে গেছে এবং পরে দেশে ফিরে এসেছে। তবে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী ৩৪ জন অস্ট্রেলিয়ান নারী ও শিশুকে আটক করেছে। তাদের পাসপোর্টে প্রবেশ স্ট্যাম্প এবং সরকারি অনুমোদনও ছিল না। রোজ শিবির দেরিক এলাকায় অবস্থিত। আল-হোল শিবিরের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম আইএস-সংযুক্ত পরিবারের শিবির। শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৪০টি দেশের ২ হাজার ২০১ জন মানুষ বসবাস করছে।
সিরিয়ায় আটকে থাকা কোনো অস্ট্রেলিয়ান নাগরিককে দেশে ফেরাতে সাহায্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থোনি আলবানিজ। মঙ্গলবার তিনি বলেন, সরকারের নীতি আইএসের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজনদের প্রতি কঠোর থাকবে।
আলবানিজে এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, নিয়ম ভেঙে কেউ দেশে ফিরলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অস্ট্রেলিয়ার আইন অনুযায়ী, আইএসকে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা ২৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে পারে এবং দ্বৈত নাগরিকত্বপ্রাপ্তদের নাগরিকত্বও হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।
সম্প্রতি রোজ শিবির থেকে ১১টি আইএস-সংযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান পরিবার দামেস্কে চলে গেছে এবং পরে দেশে ফিরে এসেছে। তবে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী ৩৪ জন অস্ট্রেলিয়ান নারী ও শিশুকে আটক করেছে। তাদের পাসপোর্টে প্রবেশ স্ট্যাম্প এবং সরকারি অনুমোদনও ছিল না।
রোজ শিবির দেরিক এলাকায় অবস্থিত। আল-হোল শিবিরের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম আইএস-সংযুক্ত পরিবারের শিবির। শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৪০টি দেশের ২ হাজার ২০১ জন মানুষ বসবাস করছে।
What's Your Reaction?