সিয়াম, সুস্মিতা, আমি সমবয়সী: আলীরাজ

‘রাক্ষস’ দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছিলে প্রবীণ অভিনেতা আলীরাজ। সিনেমা শুরু হওয়ার আগে হলের লবিতে তাকে ঘিরে ধরেন কনটেন্ট নির্মাতা ও সাংবাদিকদের একাংশ। নিজের নাতি-নাতনির বয়সী নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে কাজ করতে কেমন লেগেছে জানতে চাইলে এক সময়ের এই নায়ক বলেন, ওরা আমার সমবয়সী। বয়স আলীরাজের কাছে একটি। তিনি বলেন, ‘সিয়াম, সুস্মিতা, আমি, আমরা সমবয়সী (হাসি...)। বয়সটা আসলে সংখ্যা। তবে বয়স যত বাড়ছে, অভিজ্ঞতা তত বাড়ছে।’ তার সময়কার ও এখনকার সিনেমার ব্যবধান কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে যে ধরনের সিনেমা তৈরি হতো, সেটার মশলা ছিল এক রকম, কিন্তু এখনকার মশলা একেবারেই ভিন্ন। বলতে গেলে, আগের তুলনায় এখনকার নির্মাতারা আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ উপাদান দিয়ে সিনেমা বানাচ্ছেন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের কাজ, এককথায়, ‘মাথা নষ্ট’ করার মতো! নতুন প্রজন্মের সিনেমাগুলো কেমন হচ্ছে? জানতে চাইলে অভিনেতা আলীরাজ বলেন, ‘এই প্রজন্ম খুব ভালো গল্পভিত্তিক সিনেমা নির্মাণ করছে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পারছি, এতে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। তারা আমাকে তাদের কাজে যুক্ত করছেন, এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। বর্তমান প্রজন্মের মেধাবী নির্

সিয়াম, সুস্মিতা, আমি সমবয়সী: আলীরাজ

‘রাক্ষস’ দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছিলে প্রবীণ অভিনেতা আলীরাজ। সিনেমা শুরু হওয়ার আগে হলের লবিতে তাকে ঘিরে ধরেন কনটেন্ট নির্মাতা ও সাংবাদিকদের একাংশ। নিজের নাতি-নাতনির বয়সী নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে কাজ করতে কেমন লেগেছে জানতে চাইলে এক সময়ের এই নায়ক বলেন, ওরা আমার সমবয়সী।

বয়স আলীরাজের কাছে একটি। তিনি বলেন, ‘সিয়াম, সুস্মিতা, আমি, আমরা সমবয়সী (হাসি...)। বয়সটা আসলে সংখ্যা। তবে বয়স যত বাড়ছে, অভিজ্ঞতা তত বাড়ছে।’ তার সময়কার ও এখনকার সিনেমার ব্যবধান কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে যে ধরনের সিনেমা তৈরি হতো, সেটার মশলা ছিল এক রকম, কিন্তু এখনকার মশলা একেবারেই ভিন্ন। বলতে গেলে, আগের তুলনায় এখনকার নির্মাতারা আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ উপাদান দিয়ে সিনেমা বানাচ্ছেন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের কাজ, এককথায়, ‘মাথা নষ্ট’ করার মতো!

নতুন প্রজন্মের সিনেমাগুলো কেমন হচ্ছে? জানতে চাইলে অভিনেতা আলীরাজ বলেন, ‘এই প্রজন্ম খুব ভালো গল্পভিত্তিক সিনেমা নির্মাণ করছে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পারছি, এতে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। তারা আমাকে তাদের কাজে যুক্ত করছেন, এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। বর্তমান প্রজন্মের মেধাবী নির্মাতারা আমাকে নিয়ে ভাবছেন, আমাকে সুযোগ দিচ্ছেন, এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে এই ইন্ডাস্ট্রি বড় হতে বেশি সময় লাগবে না।’

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন আলীরাজ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে সেলিম আল দীনের লেখা ও নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নির্দেশনায় ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ নাটকের মধ্যদিয়ে তার পর্দার ক্যারিয়ার শুরু হয়। সে সময়ে তিনি ডব্লিউ আনোয়ার নামে পরিচিত ছিলেন। এরপর নায়করাজ রাজ্জাকের হাত ধরে ১৯৮৪ সালে ‘সৎভাই’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। তার আলীরাজ নামটি অভিনেতা রাজ্জাকের দেওয়া।

এমআই/আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow