সুন্দরগঞ্জে বিদ্যুৎ যেন সোনার হরিণ, ৪ দিন ধরে অন্ধকারে ১০ গ্রাম
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ের চার দিন পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎ এখনো যেন ‘সোনার হরিণ’। উপড়ে পড়া খুঁটি, বিকল ট্রান্সফরমার আর ছিঁড়ে যাওয়া তার মেরামতে ধীরগতির কারণে এখনো অন্ধকারে ডুবে আছে অন্তত ১০টি গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় থমকে গেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অটোরিকশাচালক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পড়তে বাধ্য হলেও দ্রুত সমাধানের স্পষ্ট কোনো আশ্বাস মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সোমবার (১৮ মে) গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টার ভয়াবহ কালবৈশাখী তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সুন্দরগঞ্জের বিস্তীর্ণ জনপদ। ঝড়ের প্রচণ্ড আঘাতে উপড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি, ছিঁড়ে যায় শত শত তার, বিকল হয়ে পড়ে ট্রান্সফরমার— মুহূর্তেই অন্ধকারে ডুবে যায় উপজেলার একের পর এক গ্রাম। প্রায় দেড় ঘণ্টার কালবৈশাখী তাণ্ডবে সুন্দরগঞ্জজুড়ে যেন লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। উপজেলার তারাপুর, দহবন্দ, শান্তিরাম, সোনারায়, বামনডাঙ্গা ও বেলকা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উপড়ে পড়ে বিশাল গাছ, ছিঁড়ে যায় বৈদ্যুতিক তার, ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে একের পর এক খুঁটি। মুহূর্তেই অন্ধকার
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ের চার দিন পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎ এখনো যেন ‘সোনার হরিণ’। উপড়ে পড়া খুঁটি, বিকল ট্রান্সফরমার আর ছিঁড়ে যাওয়া তার মেরামতে ধীরগতির কারণে এখনো অন্ধকারে ডুবে আছে অন্তত ১০টি গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় থমকে গেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অটোরিকশাচালক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পড়তে বাধ্য হলেও দ্রুত সমাধানের স্পষ্ট কোনো আশ্বাস মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সোমবার (১৮ মে) গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টার ভয়াবহ কালবৈশাখী তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সুন্দরগঞ্জের বিস্তীর্ণ জনপদ। ঝড়ের প্রচণ্ড আঘাতে উপড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটি, ছিঁড়ে যায় শত শত তার, বিকল হয়ে পড়ে ট্রান্সফরমার— মুহূর্তেই অন্ধকারে ডুবে যায় উপজেলার একের পর এক গ্রাম।
প্রায় দেড় ঘণ্টার কালবৈশাখী তাণ্ডবে সুন্দরগঞ্জজুড়ে যেন লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। উপজেলার তারাপুর, দহবন্দ, শান্তিরাম, সোনারায়, বামনডাঙ্গা ও বেলকা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উপড়ে পড়ে বিশাল গাছ, ছিঁড়ে যায় বৈদ্যুতিক তার, ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে একের পর এক খুঁটি। মুহূর্তেই অন্ধকারে ডুবে যায় পৌরসভাসহ অন্তত ২০টি গ্রাম। শহরাঞ্চল ও আশপাশের কিছু এলাকায় তড়িঘড়ি বিদ্যুৎ ফিরলেও চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অন্ধকারে বন্দি অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ।
পল্লী বিদ্যুতের ভাষায় এটি শুধু ‘ক্ষয়ক্ষতি’; কিন্তু বাস্তবে সুন্দরগঞ্জজুড়ে যেন বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভয়াবহ ধস নেমেছে। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভেঙে পড়েছে অন্তত ২২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি, বিকল হয়েছে ১০টি ট্রান্সফরমার। উপড়ে পড়া গাছের আঘাতে প্রায় ২০০ স্থানে ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুৎ লাইন। ফলে চার দিন ধরেও অন্ধকারে ডুবে আছে একের পর এক গ্রাম, আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো
ঝড়ে ভেঙেছে খুঁটি, ছিঁড়েছে তার— কিন্তু চার দিন পেরিয়েও ফেরেনি বিদ্যুৎ। সুন্দরগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভাগের ধীরগতির মেরামত কার্যক্রমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। প্রায় ২০০টি মিটার ক্ষতিগ্রস্ত, অর্ধশতাধিক খুঁটি হেলে পড়লেও ২১টি টিম দিন-রাত কাজ করে এখন পর্যন্ত মাত্র ১১টি স্থানে মেরামত শেষ করতে পেরেছে। ফলে এখনো অন্ধকারে ডুবে আছে অন্তত ১০টি গ্রাম।
বিদ্যুৎহীনতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন অটোরিকশাচালকেরা। চার দিন ধরে ব্যাটারিতে চার্জ দিতে না পেরে অনেকের গাড়িই অচল হয়ে পড়ে আছে। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। শুধু চালকেরাই নন, বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
এসএসসি পরীক্ষা চলছে, অথচ চারদিন ধরে বিদ্যুৎহীনতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সুন্দরগঞ্জের শিক্ষার্থীরা। রাত নামলেই অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো গ্রাম। মোমবাতি আর কুপির ক্ষীণ আলোয় পড়তে বসতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল চার্জ, অনলাইন প্রস্তুতি কিংবা স্বাভাবিক পড়াশোনাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সামনে পরীক্ষা, আর অন্ধকারে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম সময় কাটছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. আব্দুল বারী বলেন, কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দ্রুত সব গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত খুঁটি, ট্রান্সফরমার ও ছিঁড়ে যাওয়া লাইনের কারণে মেরামতকাজ জটিল হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, ১৯ মে সকাল থেকেই ২১টি টিম দিন-রাত মাঠে কাজ করছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সংযোগ চালু করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি গ্রামগুলোতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
What's Your Reaction?