সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শেষ
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের) ২০২৬-২৭ সেশনে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একইভাবে বৃহস্পতিবারও (১৪ মে) ভোটগ্রহণ চলবে। দু’দিনব্যাপী ভোটের প্রথম দিনে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৭৭১ জন আইনজীবী। এবারের নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৯৭ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। হিসাব অনুযায়ী, প্রথম দিনে ভোট পড়েছে ১৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আওয়ামী সমর্থকদের অংশগ্রহণ ছাড়া এবার অনেকটাই নিরুত্তাপ ভোট গ্রহণ চলছে। অন্যবারের তুলনায় ভোটার উপস্থিতি ও ভোট প্রদানের হার অনেক কম। জানা গেছে, সভাপতি, সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪০ জন। নির্বাচন পরিচালনা করছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটি। আগামীকাল ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই গণনা শুরু হতে পরে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এবারের নির্বাচনে ভোটের মাঠে রয়েছে তিনটি প্যানেল। সেগুলো হলো বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল), জামায়াত সমর্থিত আই
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (সুপিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের) ২০২৬-২৭ সেশনে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একইভাবে বৃহস্পতিবারও (১৪ মে) ভোটগ্রহণ চলবে।
দু’দিনব্যাপী ভোটের প্রথম দিনে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৭৭১ জন আইনজীবী। এবারের নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৯৭ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। হিসাব অনুযায়ী, প্রথম দিনে ভোট পড়েছে ১৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আওয়ামী সমর্থকদের অংশগ্রহণ ছাড়া এবার অনেকটাই নিরুত্তাপ ভোট গ্রহণ চলছে। অন্যবারের তুলনায় ভোটার উপস্থিতি ও ভোট প্রদানের হার অনেক কম।
জানা গেছে, সভাপতি, সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪০ জন। নির্বাচন পরিচালনা করছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটি। আগামীকাল ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই গণনা শুরু হতে পরে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এবারের নির্বাচনে ভোটের মাঠে রয়েছে তিনটি প্যানেল। সেগুলো হলো বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল), জামায়াত সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (সবুজ প্যানেল) এবং এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল।
তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা বার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাননি। সমিতির বিশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্তে আওয়ামীপন্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। তারা মনোনয়নপত্র জমা দিলেও সেগুলো বাতিল করা হয়।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন (সংসদ সদস্য) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো.শাহজাহান। সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান, দুটি সহ-সম্পাদক পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া সাতটি সদস্য পদে নির্বাচন করছেন এ কে এম আজাদ হোসেন, এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া, রিপন কুমার বড়ুয়া এবং ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবদুল বাতেন, দুটি সহ-সভাপতি পদে আব্দুল হক ও মইনুদ্দিন ফারুকী, সম্পাদক পদে এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার, কোষাধ্যক্ষ পদে এস এম জাহাঙ্গীর আলম, দুটি সহ-সম্পাদক পদে মো. তারিকুল ইসলাম ও যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া প্রার্থী হয়েছেন।
আর এই প্যানেলের ৭টি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ফারজানা খানম, ইসরাত জাহান অনি, মো. ফয়েজউল্লাহ, মো.জুবায়ের টিটু, মাহমুদুল হাসান ও মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন লিংকন।
এদিকে এনসিপি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে কোনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি। তবে এই প্যানেল থেকে সম্পাদক পদে আজমল হোসেন বাচ্চু, দুটি সহ-সম্পাদক পদের একটিতে মোস্তফা আসগর শরীফী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদস্য পদে আমিনা আক্তার লাভলী, কাজী আকবর আলী, মো.বনি আমিন ও মাজহারুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।
এসব প্যানেলের বাইরে এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে ইউনুছ আলী আকন্দ, সম্পাদক পদে ফরহাদ উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. আবু ইয়াহিয়া দুলাল, মো. ওমর ফারুক, মোহাম্মদ আশরাফ উজ জামান খান এবং সদস্য পদে মো. জোবায়ের তায়েব ও তপন কুমার দাস প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
What's Your Reaction?