সড়কের পাশে যুবকের মরদেহ, হত্যার দাবি পরিবারের
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে মানিক মিয়া নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) ভোরে সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের বিসিআইসি গোডাউনের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মানিক মিয়া (৩৮) ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হেকিমের ছেলে। তিনি ঢাকায় এসএ পরিবহনের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহতের বড় ভাই এমদাদুল হক শাহিন বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের আজ অফিসের কাজে রাজশাহী যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কীভাবে বা কী কারণে সে কিশোরগঞ্জে এলো, তা আমরা বুঝতে পারছি না। কিশোরগঞ্জে এলে আমাদের অবশ্যই জানাত। সন্ধ্যায় তার অন্যান্য সহকর্মী অফিস থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন। পরে সে কেন মোটরসাইকেলে করে কিশোরগঞ্জে এলো, বিষয়টি আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখছি না। আমাদের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। রায়টুটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিল্কী বলেন, পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গেছেন। ঘটনা
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে মানিক মিয়া নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) ভোরে সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের বিসিআইসি গোডাউনের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মানিক মিয়া (৩৮) ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হেকিমের ছেলে। তিনি ঢাকায় এসএ পরিবহনের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বড় ভাই এমদাদুল হক শাহিন বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের আজ অফিসের কাজে রাজশাহী যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কীভাবে বা কী কারণে সে কিশোরগঞ্জে এলো, তা আমরা বুঝতে পারছি না। কিশোরগঞ্জে এলে আমাদের অবশ্যই জানাত। সন্ধ্যায় তার অন্যান্য সহকর্মী অফিস থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন। পরে সে কেন মোটরসাইকেলে করে কিশোরগঞ্জে এলো, বিষয়টি আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখছি না। আমাদের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
রায়টুটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খান মিল্কী বলেন, পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশের ওসি এবিএম মেহেদী মাসুদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। ভোরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মানিকের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?