হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি-ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
দিনাজপুরের বিরলে হঠাৎ বয়ে যাওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় এই দুর্যোগ আঘাত হানে। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে প্রচণ্ড বাতাস ও শিলাবৃষ্টির কারণে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ঘরবাড়ি। ঝড়ে অনেকের বসতবাড়ির ওপর গাছ উপড়ে পড়েছে। রাস্তার ধারের বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া বেশ কিছু ঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আম, লিচু ও কাঁঠালসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের বাগানে ধস নেমেছে। অসংখ্য ফলের গাছ ভেঙে ও উপড়ে গিয়ে বাগানমালিক ও কৃষকরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। শিলাবৃষ্টির কারণে উঠতি ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঝড়ের সময় অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় এবং সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং সংযোগ মেরামতে কাজ শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কখন নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যা
দিনাজপুরের বিরলে হঠাৎ বয়ে যাওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় এই দুর্যোগ আঘাত হানে।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে প্রচণ্ড বাতাস ও শিলাবৃষ্টির কারণে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ঘরবাড়ি। ঝড়ে অনেকের বসতবাড়ির ওপর গাছ উপড়ে পড়েছে। রাস্তার ধারের বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া বেশ কিছু ঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আম, লিচু ও কাঁঠালসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের বাগানে ধস নেমেছে। অসংখ্য ফলের গাছ ভেঙে ও উপড়ে গিয়ে বাগানমালিক ও কৃষকরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। শিলাবৃষ্টির কারণে উঠতি ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঝড়ের সময় অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় এবং সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং সংযোগ মেরামতে কাজ শুরু হয়েছে। তবে ঠিক কখন নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু করেছেন।
What's Your Reaction?