হত্যা মামলার ১৫ বছর পর একজনের যাবজ্জীবন
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এলাকায় ২০১১ সালে আসাদুল ইসলাম দুলাল হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ছয় আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এস. এম. শফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম- মামুনুর রশীদ সুমন। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শাহিন ওরফে পিচ্চি শাহিন, মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে ভুট্টু, মো. নূর আলম, মো. লিটন মিয়া, মো. রবিউল ইসলাম, মো. হাফিজুল ইসলাম।। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে পাটগ্রাম উপজেলার উত্তরমারী (বুড়িমারী) এলাকায় আসাদুল ইসলাম দুলাল হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা মফিজাল হোসেন প্রধান (৬২) বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলারতদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শ্বাসনালি ও ডান পাশের প্রধান রক্তবাহী ধমনি কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে দুলালের তাৎক্ষণিক মৃত্যু নিশ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এলাকায় ২০১১ সালে আসাদুল ইসলাম দুলাল হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ছয় আসামিকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এস. এম. শফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম- মামুনুর রশীদ সুমন। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শাহিন ওরফে পিচ্চি শাহিন, মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে ভুট্টু, মো. নূর আলম, মো. লিটন মিয়া, মো. রবিউল ইসলাম, মো. হাফিজুল ইসলাম।।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে পাটগ্রাম উপজেলার উত্তরমারী (বুড়িমারী) এলাকায় আসাদুল ইসলাম দুলাল হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নিহতের বাবা মফিজাল হোসেন প্রধান (৬২) বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলারতদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শ্বাসনালি ও ডান পাশের প্রধান রক্তবাহী ধমনি কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে দুলালের তাৎক্ষণিক মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছিল।
পরে আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত মূল আসামি মো. মামুনুর রশীদ ওরফে সুমনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, রায় ঘোষণার পরপরই সাজাপ্রাপ্ত মামুনুর রশীদ সুমনকে লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?