হরমুজ প্রণালিতে অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না : ম্যাক্রোঁ

হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।  মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে আলোচনার জন্য ফ্রান্সের মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান। পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মাঝে হরমুজ প্রণালি সচল করার জন্য কোনো সামরিক অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না। তবে যুদ্ধ শেষ হলে সেখানে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্যারিস। যা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারবে।’   তিনি বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধের কোনো পক্ষ নই। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত বা মুক্ত করার অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পরিস্থিতি শান্ত হলে এবং আমি সচেতনভাবেই এই শব্দটি ব্যবহার করছি, অর্থাৎ যখন মূল বোমা হামলা বন্ধ হবে, তখন আমরা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে (জাহাজ চলাচলের জন্য) এসকর্ট বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে

হরমুজ প্রণালিতে অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না : ম্যাক্রোঁ

হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে আলোচনার জন্য ফ্রান্সের মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।

ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মাঝে হরমুজ প্রণালি সচল করার জন্য কোনো সামরিক অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না। তবে যুদ্ধ শেষ হলে সেখানে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্যারিস। যা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারবে।’  

তিনি বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধের কোনো পক্ষ নই। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত বা মুক্ত করার অভিযানে ফ্রান্স কখনোই অংশ নেবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পরিস্থিতি শান্ত হলে এবং আমি সচেতনভাবেই এই শব্দটি ব্যবহার করছি, অর্থাৎ যখন মূল বোমা হামলা বন্ধ হবে, তখন আমরা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে (জাহাজ চলাচলের জন্য) এসকর্ট বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow