হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো নারীর রক্তাক্ত মরদেহ, রহস্য উদ্ঘাটন
টাঙ্গাইলের পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকার এলাকায় হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নাজমা আলম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সদর থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম রেজুয়ান সিদ্দিকী এ তথ্য জানান। এসএম রেজুয়ান সিদ্দিকী বলেন, আটক মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপে ছিলেন। তিনি নিহত নারীর একই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোনা-গয়না লুটের জন্য তিনি ঘরে প্রবেশ করেন এবং বিষয়টি ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নাজমাকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে আলামত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার এবং লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রোববার (২৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকা (শিবনাথ পাড়া) এলাকার নিজ বাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় নাজমা আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
টাঙ্গাইলের পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকার এলাকায় হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নাজমা আলম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সদর থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম রেজুয়ান সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।
এসএম রেজুয়ান সিদ্দিকী বলেন, আটক মোশারফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপে ছিলেন। তিনি নিহত নারীর একই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোনা-গয়না লুটের জন্য তিনি ঘরে প্রবেশ করেন এবং বিষয়টি ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নাজমাকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে আলামত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ মোশারফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার এবং লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রোববার (২৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকা (শিবনাথ পাড়া) এলাকার নিজ বাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় নাজমা আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
What's Your Reaction?