হাতিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় বিটিভির সাংবাদিকসহ আহত ৩০
নোয়াখালীর হাতিয়ায় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের হামলায় বিটিভির সাংবাদিক মিরাজসহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের বাইরে পৃথক পৃথক স্থানে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, চরঈম্বর ইউনিয়নের বাংলাবাজার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এনসিপি প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসুদের গাড়িবহরে থাকা সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিরাজের মাথা ও পিঠে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় মিরাজের সঙ্গে থাকা সাকিব নামের এক মোটরসাইকেল চালককেও মারধর করে আহত করা হয়। এদিকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওচখালী বাজার এলাকায় আরেকটি হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে হান্নান মাসুদের সমর্থক আব্দুল কাদের এবং তার ছেলে মো. ফয়সাল হামলার শিকার হন। আব্দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা সবাই বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের নেতাকর্মী। এছাড়াও বুড়িরচর, জাহাজমারা ও সোনাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুর
নোয়াখালীর হাতিয়ায় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের হামলায় বিটিভির সাংবাদিক মিরাজসহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের বাইরে পৃথক পৃথক স্থানে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চরঈম্বর ইউনিয়নের বাংলাবাজার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এনসিপি প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসুদের গাড়িবহরে থাকা সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিরাজের মাথা ও পিঠে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় মিরাজের সঙ্গে থাকা সাকিব নামের এক মোটরসাইকেল চালককেও মারধর করে আহত করা হয়।
এদিকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওচখালী বাজার এলাকায় আরেকটি হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে হান্নান মাসুদের সমর্থক আব্দুল কাদের এবং তার ছেলে মো. ফয়সাল হামলার শিকার হন। আব্দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা সবাই বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের নেতাকর্মী।
এছাড়াও বুড়িরচর, জাহাজমারা ও সোনাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মানছুর উদ্দিন জানান, সকাল থেকে হাসপাতালে প্রায় ৩০ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তি আহত কর্মী-সমর্থকদের দেখতে যান আব্দুল হান্নান মাসুদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনী। তিনি আহতদের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং জানান, এ বিষয়ে পরে এনসিপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।
হাতিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শামছুল তিব্রিজ বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অনেক স্থানে হামলা করা হয়েছে। অনেকে হাসপাতালে গেছেন। যানবাহন সংকট থাকায় অনেককে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, কয়েকটি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। আমি নিজেও নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যস্ত রয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?