হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৮২৬ জন রোগী। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৯০৫ জনে। এরমধ্যে ল্যাব টেস্ট ও চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৭৭ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে এরমধ্যে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ৮৮ জনের মৃত্যু হামের কারণেই হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের মৃত্যুর পেছনে হামের স্পষ্ট উপসর্গ ছিল। অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হওয়া হামে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ৫৪ হাজার ১৮২ জন
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৮২৬ জন রোগী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৯০৫ জনে। এরমধ্যে ল্যাব টেস্ট ও চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৭৭ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে এরমধ্যে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ৮৮ জনের মৃত্যু হামের কারণেই হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের মৃত্যুর পেছনে হামের স্পষ্ট উপসর্গ ছিল। অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হওয়া হামে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ৫৪ হাজার ১৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫০ হাজার ৯২৬ জন। বর্তমানে বাকি রোগীরা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
What's Your Reaction?