হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আলোচ্য সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে নতুন করে হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৯৬ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৬৮৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আরও পড়ুন হাসপাতালে দ্বিগুণ হচ্ছে শয্যা, জনবল-বাজেট কি বাড়বে? গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৩ শিশু। এসময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৯৬। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৯ জন। তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৫ হাজার ৭৬০, আর নিশ্চিত হাম রোগী
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আলোচ্য সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে নতুন করে হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৯৬ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৬৮৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৩ শিশু। এসময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৯৬। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৯ জন।
তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৫ হাজার ৭৬০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৩৯০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৯ হাজার ৬৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৫ হাজার ৮৮২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
কেএসআর/
What's Your Reaction?
