হালদা নদীতে নিখোঁজ সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় হালদা নদী থেকে নিখোঁজের ৫৮ ঘণ্টা পর মোহাম্মদ সাব্বির নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মোকামিপাড়া ছায়ারচর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাব্বির (২১) রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মৈশকরম গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুউল্লাহ চৌধুরী বাড়ির আবদুল মান্নানের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত প্রায় ১২টার দিকে পাশের হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের রামদাস মুন্সির হাট এলাকায় একটি ওরসের মেলা থেকে নৌকাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন সাব্বির ও তার কয়েকজন বন্ধু। মেলায় দুই দল যুবকের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে মধ্যরাতে নদীর মাঝখানে নৌকায় উঠে এক পক্ষ অন্য পক্ষের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনজন নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে দুজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাব্বির নিখোঁজ হন। সঙ্গে থাকা যুবকেরা দাবি করেন, হামলার সময় সাব্বিরের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। সাব্বিরের সঙ্গী মোহাম্মদ মারুফ বলেন, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সাব্বিরকে মাথায় আঘাত করলে আমরা নদ
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় হালদা নদী থেকে নিখোঁজের ৫৮ ঘণ্টা পর মোহাম্মদ সাব্বির নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মোকামিপাড়া ছায়ারচর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাব্বির (২১) রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মৈশকরম গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুউল্লাহ চৌধুরী বাড়ির আবদুল মান্নানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত প্রায় ১২টার দিকে পাশের হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের রামদাস মুন্সির হাট এলাকায় একটি ওরসের মেলা থেকে নৌকাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন সাব্বির ও তার কয়েকজন বন্ধু। মেলায় দুই দল যুবকের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরে মধ্যরাতে নদীর মাঝখানে নৌকায় উঠে এক পক্ষ অন্য পক্ষের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনজন নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে দুজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাব্বির নিখোঁজ হন। সঙ্গে থাকা যুবকেরা দাবি করেন, হামলার সময় সাব্বিরের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়।
সাব্বিরের সঙ্গী মোহাম্মদ মারুফ বলেন, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সাব্বিরকে মাথায় আঘাত করলে আমরা নদীতে ঝাঁপ দিই। আমরা দুজন কোনোমতে বাড়ি পৌঁছাই, কিন্তু সাব্বিরকে আর খুঁজে পাইনি।
তিনি আরও বলেন, নিখোঁজের পর থেকে পরিবার ও স্থানীয়রা হালদা নদীতে খোঁজাখুঁজি চালান। অবশেষে ৫৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার সকালে ছায়ারচরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে হালদা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে।
সাব্বিরের চাচা মো. মোতালেব বলেন, আমরা মরদেহ শনাক্ত করেছি। এ কষ্ট সহ্য করা যায় না। কেন আমার ভাতিজাকে মরতে হলো? প্রশাসনের কাছে আমরা বিচার চাই।
সাব্বিরের মা মনোয়ারা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, যারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে, তাদের বিচার আল্লাহর কাছে চাই।
হালদা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রমজান আলী বলেন, ওরসের মেলায় দুই দল যুবকের ঝগড়ার জেরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সাব্বির নদীতে পড়ে যান। আজ সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে।
What's Your Reaction?