হাসপাতাল থেকে ফিরলেন রাজেশ শর্মা
প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবশেষে বাসায় ফিরেছেন ভারতীয় অভিনেতা রাজেশ শর্মা। বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আপাতত এক সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন এই অভিনেতা। ভারতীয় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজেশ শর্মার ঘনিষ্ঠ সহকারী। তিনি জানান, শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন অভিনেতা। এখন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, ‘রাজেশদা এখন অনেক ভালো আছেন। শুক্রবার তাকে বাসায় নিয়ে এসেছি। চিকিৎসক এক সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। এরপর আগামী ২ আগস্ট আমরা লন্ডনে যাব। সেখানে ‘রাগিনী এমএমএস ২’র শুটিং রয়েছে। পরে মুম্বাইয়ে আরও একটি হিন্দি সিনেমার কাজ করবেন। তবে সেগুলোর জন্য এখনও কিছুটা সময় আছে।’ এর আগে রাজেশ শর্মার অসুস্থতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হয়, বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে তার শরীরে গুরুতর সংক্রমণ হয়েছে। তবে পরে অভিনেতার পক্ষ থেকে সেই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়। রাজেশ শর্মার ঘনিষ্ঠ সহকারী জানান, হায়দরাবাদে শুটিংয়ের সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। কলকাতায় ফেরার কয়েক দিন পর হঠাৎ তার পায়ে সংক্রমণ দেখ
প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবশেষে বাসায় ফিরেছেন ভারতীয় অভিনেতা রাজেশ শর্মা। বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আপাতত এক সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন এই অভিনেতা।
ভারতীয় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজেশ শর্মার ঘনিষ্ঠ সহকারী। তিনি জানান, শুক্রবার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন অভিনেতা। এখন তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, ‘রাজেশদা এখন অনেক ভালো আছেন। শুক্রবার তাকে বাসায় নিয়ে এসেছি। চিকিৎসক এক সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। এরপর আগামী ২ আগস্ট আমরা লন্ডনে যাব। সেখানে ‘রাগিনী এমএমএস ২’র শুটিং রয়েছে। পরে মুম্বাইয়ে আরও একটি হিন্দি সিনেমার কাজ করবেন। তবে সেগুলোর জন্য এখনও কিছুটা সময় আছে।’
এর আগে রাজেশ শর্মার অসুস্থতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হয়, বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে তার শরীরে গুরুতর সংক্রমণ হয়েছে। তবে পরে অভিনেতার পক্ষ থেকে সেই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়।
রাজেশ শর্মার ঘনিষ্ঠ সহকারী জানান, হায়দরাবাদে শুটিংয়ের সময় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। কলকাতায় ফেরার কয়েক দিন পর হঠাৎ তার পায়ে সংক্রমণ দেখা দেয়। মূলত দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তে শর্করার (হাই সুগার) কারণেই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তার ভাষায়, ‘হাই সুগার থাকলে সংক্রমণ সহজেই বাড়ে। পা চুলকাতে গিয়ে ত্বকে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সংক্রমণ কেবল ত্বকেই সীমাবদ্ধ ছিল, শরীরের ভেতরে ছড়ায়নি। কিন্তু ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।’
এদিকে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে রাজেশ শর্মার পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে। বিশ্রাম শেষে চিকিৎসকের অনুমতি মিললেই আবারও ক্যামেরার সামনে ফিরবেন এই অভিনেতা। লন্ডালে নির্ধারিত শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়েই তার কাজে ফেরার কথা রয়েছে।
What's Your Reaction?