১ ঘণ্টার টেঁটা যুদ্ধ
কিশোরগঞ্জে ভৈরবে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নে ভবানীপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বদুর বংশ ও সদার বংশের মাঝে গত প্রায় এক মাসে চারবার সংঘর্ষ হয়। কেন সংঘর্ষ হচ্ছে দুপক্ষের কেউ কেউ স্পষ্টভাবে বলতে পারছে না। কেউ কেউ বলছেন, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২০/২৫ দিন আগে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ নিয়ে গত বুধবার শ্রীনগর ইউনিয়নে তেয়ারিচর এলাকায় সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে চলমান সংঘর্ষ নিয়ে মীমাংসা হয়। বৈঠকে বাড়ি ভাঙা বাবদ ৩০ হাজার, মারামারি বাবদ ৪০ হাজার ও দুপক্ষের আহতদের চিকিৎসার বাবদ ৫০ হাজার করে জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে বুদুর বংশের ১৫ হাজার টাকা বেশি জরিমানা আসে।
মাসুম মিয়ার নেতৃত্বে বুদুর বংশের লোকজনের মনঃক্ষুণ্ন হয়। এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ফের দুপক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। গতরাতের সংঘর্ষের জেরে শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত
কিশোরগঞ্জে ভৈরবে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নে ভবানীপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বদুর বংশ ও সদার বংশের মাঝে গত প্রায় এক মাসে চারবার সংঘর্ষ হয়। কেন সংঘর্ষ হচ্ছে দুপক্ষের কেউ কেউ স্পষ্টভাবে বলতে পারছে না। কেউ কেউ বলছেন, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ২০/২৫ দিন আগে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ নিয়ে গত বুধবার শ্রীনগর ইউনিয়নে তেয়ারিচর এলাকায় সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে চলমান সংঘর্ষ নিয়ে মীমাংসা হয়। বৈঠকে বাড়ি ভাঙা বাবদ ৩০ হাজার, মারামারি বাবদ ৪০ হাজার ও দুপক্ষের আহতদের চিকিৎসার বাবদ ৫০ হাজার করে জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে বুদুর বংশের ১৫ হাজার টাকা বেশি জরিমানা আসে।
মাসুম মিয়ার নেতৃত্বে বুদুর বংশের লোকজনের মনঃক্ষুণ্ন হয়। এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ফের দুপক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। গতরাতের সংঘর্ষের জেরে শনিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত টেঁটা নিয়ে আবারও দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। টেঁটা নিয়ে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। বর্তমানে আমাদের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছে। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আমরা সতর্ক আছি।