২২ তলা থেকে শিশুকন্যাকে ফেলে দিলেন মা
আরব আমিরাতের শারজাহের আল নাহদা এলাকায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। এক মা তার শিশুকন্যাকে ২২ তলা থেকে ছুড়ে ফেলে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আবাসিক ভবন থেকে লাফ দেওয়া ওই নারী ভারতীয় প্রবাসী। তার পাঁচ বছরের মেয়েকে ছুড়ে ফেলার পর তিনি আত্মহত্যা করেন। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভবনের কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী প্রথমে শিশুকন্যাকে ভবনের ওপর থেকে নিচে ফেলে দেন, পরে নিজেও লাফ দেন। ভবনের নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি জোরে শব্দ শুনে বাইরে এসে মা ও মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান। শিশুটির দেহ সড়কে এবং নারীর দেহ ভবনের নিচের অংশে পড়ে ছিল। তিনি দ্রুত পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স বিভাগকে খবর দেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে এবং কয়েক ঘণ্টা তদন্ত কার্যক্রম চালায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২ তলা ভবনের ১৫ তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তারা নিচে পড়ে যান। ভবনটিতে অতিরিক্ত ৬ তলা পার্কিং ও এক তলা জিম থাকায় মাটি থেকে পতনের উচ্চতা ছিল ২২ তলা। ঘটনার কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাব
আরব আমিরাতের শারজাহের আল নাহদা এলাকায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। এক মা তার শিশুকন্যাকে ২২ তলা থেকে ছুড়ে ফেলে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আবাসিক ভবন থেকে লাফ দেওয়া ওই নারী ভারতীয় প্রবাসী। তার পাঁচ বছরের মেয়েকে ছুড়ে ফেলার পর তিনি আত্মহত্যা করেন।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভবনের কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী প্রথমে শিশুকন্যাকে ভবনের ওপর থেকে নিচে ফেলে দেন, পরে নিজেও লাফ দেন।
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি জোরে শব্দ শুনে বাইরে এসে মা ও মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান। শিশুটির দেহ সড়কে এবং নারীর দেহ ভবনের নিচের অংশে পড়ে ছিল।
তিনি দ্রুত পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স বিভাগকে খবর দেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে এবং কয়েক ঘণ্টা তদন্ত কার্যক্রম চালায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২ তলা ভবনের ১৫ তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তারা নিচে পড়ে যান। ভবনটিতে অতিরিক্ত ৬ তলা পার্কিং ও এক তলা জিম থাকায় মাটি থেকে পতনের উচ্চতা ছিল ২২ তলা।
ঘটনার কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। শারজাহ পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
What's Your Reaction?