কষ্টের জয় আর্সেনালের
চারটি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ছিল আর্সেনালের সামনে। কিন্তু ঘরোয়া দুটি প্রতিযোগিতায় বিদায়ের পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং সিপির মাঠে ঠিক ছন্দময় দেখা যায়নি তাদের। শেষ মুহূর্তের একমাত্র গোলে (১-০) জিতেছে মিকেল আর্তেতার দল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আর্সেনাল-স্পোর্টিং। যেখানে উভয় দলের লড়াই ছিল প্রায় সমানে সমান। গোলের লক্ষ্যে শট নেওয়া স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও, বলের দখল বেশি ছিল আর্সেনালের।
৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কাই হাভার্টজ তাদের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন। আগামী বুধবার ঘরের মাঠ এমিরেটসে ফিরতি লেগে পর্তুগিজ ক্লাবটিকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল।
প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও তারা স্পোর্টিংকে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
শুরু থেকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল লিসবন। ষষ্ঠ মিনিটেই মাক্সিমিলিয়ান আরাউহোর নেওয়ার একটি জোরাল শট আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার হাত থেকে ক্রসবারে লেগে ফেরে। কিছুক্ষণ বাদে আরেকটি সেভ করেন রায়া। আর আর্সেনালের হয়ে মার্টিন ওডেগার্ড প্রথমার্ধে একমাত্র লক্ষ্যে থাকা শটটি করেন গো
চারটি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ছিল আর্সেনালের সামনে। কিন্তু ঘরোয়া দুটি প্রতিযোগিতায় বিদায়ের পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং সিপির মাঠে ঠিক ছন্দময় দেখা যায়নি তাদের। শেষ মুহূর্তের একমাত্র গোলে (১-০) জিতেছে মিকেল আর্তেতার দল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আর্সেনাল-স্পোর্টিং। যেখানে উভয় দলের লড়াই ছিল প্রায় সমানে সমান। গোলের লক্ষ্যে শট নেওয়া স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও, বলের দখল বেশি ছিল আর্সেনালের।
৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কাই হাভার্টজ তাদের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন। আগামী বুধবার ঘরের মাঠ এমিরেটসে ফিরতি লেগে পর্তুগিজ ক্লাবটিকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল।
প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও তারা স্পোর্টিংকে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।
শুরু থেকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল লিসবন। ষষ্ঠ মিনিটেই মাক্সিমিলিয়ান আরাউহোর নেওয়ার একটি জোরাল শট আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার হাত থেকে ক্রসবারে লেগে ফেরে। কিছুক্ষণ বাদে আরেকটি সেভ করেন রায়া। আর আর্সেনালের হয়ে মার্টিন ওডেগার্ড প্রথমার্ধে একমাত্র লক্ষ্যে থাকা শটটি করেন গোলরক্ষক বরাবর।
৭০ মিনিটে বদলি নামা কাই হাভার্টজের কাছ থেকে আসে ডেডলক ভাঙা গোল। ৯১ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি বক্সে দারুণ এক ক্রস বাড়ান। সেটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে জালে জড়ান জার্মান মিডফিল্ডার।