ছাত্রদল নেতার চরিত্রহননের অভিযোগ
চরিত্রহননের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্য-সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত। শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ৫ টায় কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে নিশাত জানান, ২০০৮ সাল থেকে তিনি বিএনপি পরিবারের রাজনীতির সাথে যুক্ত। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ৩০টিরও অধিক মিথ্যা মামলা এবং ৮ বার কারাবরণ করলেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। এমনকি করোনাকালে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানবিক কাজে লিপ্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে তার একটি পুরোনো ভিডিও বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি মূলত ২০১৫ সালের। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনে বৃষ্টির কবলে পড়ে ভিজে যাওয়ার পর বন্ধুদের সাথে একটি ঘরোয়া আড্ডার মুহূর্ত ছিল সেটি। সেখানে বন্ধুদের সাথে নিছক হাস্যরস ও মোবাইল নিয়ে কাড়াকাড়ির ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটিকে বর্তমানে প্রযুক্তির সহায়তায় এডিট করে, বিভ্রান্তিকর ছবি ও লেখা যুক্ত করে ‘মাদক সংশ্লিষ্টতা’র রূপ দেওয়ার চেষ্টা
চরিত্রহননের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্য-সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত।
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ৫ টায় কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিশাত জানান, ২০০৮ সাল থেকে তিনি বিএনপি পরিবারের রাজনীতির সাথে যুক্ত। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ৩০টিরও অধিক মিথ্যা মামলা এবং ৮ বার কারাবরণ করলেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। এমনকি করোনাকালে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানবিক কাজে লিপ্ত ছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে তার একটি পুরোনো ভিডিও বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি মূলত ২০১৫ সালের। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিনে বৃষ্টির কবলে পড়ে ভিজে যাওয়ার পর বন্ধুদের সাথে একটি ঘরোয়া আড্ডার মুহূর্ত ছিল সেটি। সেখানে বন্ধুদের সাথে নিছক হাস্যরস ও মোবাইল নিয়ে কাড়াকাড়ির ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটিকে বর্তমানে প্রযুক্তির সহায়তায় এডিট করে, বিভ্রান্তিকর ছবি ও লেখা যুক্ত করে ‘মাদক সংশ্লিষ্টতা’র রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ভিডিওটিতে কোনো মাদকদ্রব্য বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ নেই। এটি কেবল ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার একটি সুপরিকল্পিত সাইবার অপরাধ।
What's Your Reaction?