জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ। সেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃচ্ছ্রসাধন করে একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে সখীপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আহমেদ আযম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। যে কারণে তিনি প্রথমে আপসহীন নেত্রী, তারপর দেশনেত্রী, তারপর গণতন্ত্রের মাতা, তারপর বাংলাদেশের মহান অভিভাবক হিসেবে উপাধি পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো ফুল নেন না। তিনি চলাফেরা করেন সাদামাটাভাবে। তার জন্য কোনো রাস্তাঘাট একমিনিটও বন্ধ হয় না। ট্রাফিক সিগন্যালে পড়লে আবার পুনরায় চলাচলের জন্য সবার সঙ্গে ট্রাফিক সিগন্যালের অপেক্ষায় বসে থাকেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী সাধারণভাবে চলাচলের জন্য কোনো পতাকা গাড়িতে
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ। সেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃচ্ছ্রসাধন করে একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে সখীপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আহমেদ আযম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। যে কারণে তিনি প্রথমে আপসহীন নেত্রী, তারপর দেশনেত্রী, তারপর গণতন্ত্রের মাতা, তারপর বাংলাদেশের মহান অভিভাবক হিসেবে উপাধি পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো ফুল নেন না। তিনি চলাফেরা করেন সাদামাটাভাবে। তার জন্য কোনো রাস্তাঘাট একমিনিটও বন্ধ হয় না। ট্রাফিক সিগন্যালে পড়লে আবার পুনরায় চলাচলের জন্য সবার সঙ্গে ট্রাফিক সিগন্যালের অপেক্ষায় বসে থাকেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী সাধারণভাবে চলাচলের জন্য কোনো পতাকা গাড়িতে তোলেন না। অথচ আগের ফ্যাসিস্ট সরকার রাস্তাঘাটে যখন চলাফেরা করেছেন, তখন রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে দুর্ভোগে পোহাতে হতো।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যতিক্রমী হিসেবে এ দেশটাকে শাসনভার চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। দ্রুত একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
তিনি বলেন, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছেন। আপনাদের সম্মানিত করেছেন। বাসাইল-সখীপুরবাসীকে সম্মানিত করেছেন। সে লক্ষ্যে আমি সখীপুর-বাসাইলের সেবক মন্ত্রী হয়ে আপনাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে দিন-রাত কাজ করতে চাই। এ লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের আগে অনেক প্রতিশ্রুতির কথাই বলেছি। সব প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করব, ইনশাল্লাহ।
অনুষ্ঠানে সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন— জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজ, আমজাদ হোসেন ও খোরশেদ আলম।
What's Your Reaction?