ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু, কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের ভিড়
পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষজন। আনুষ্ঠানিক ভাবে আজ ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হলো। যারা গত ৩ মার্চ অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন তারা আজ ভ্রমণ করতে পারছেন। ঈদযাত্রার প্রথম দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মানুষের ভিড় উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের আগের ভিড় আর ঝামেলা এড়াতে অনেকেই আগেভাগে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। তবে নারী যাত্রীদের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। অনেকেই সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে আগেই ঢাকা ছাড়ছেন। ঈদযাত্রায় যাত্রীদের চোখে মুখে বাড়ি ফেরার আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। তবে শিশুদের চোখে মুখে আনন্দ বেশি। ঢাকার একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরাইয়া বলেন, অনেক দিন পর গ্রামে যাচ্ছি। দাদা-দাদির সঙ্গে ঈদ করবো, অনেক আনন্দ হবে। জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের যাত্রী মিনাজুল ইসলাম বলেন, ভার্সিটির ক্লাস বন্ধ তাই কিছুদিন আগেই বাড়িতে চলে যাচ্ছি। ঈদের পর পরীক্ষা আছে খুব তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে। তাছাড়া কয়েকদিন পর ভিড় বাড়বে। তাই আগেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের যাত্রী সোনিয়া বলেন, ক
পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষজন। আনুষ্ঠানিক ভাবে আজ ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হলো। যারা গত ৩ মার্চ অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন তারা আজ ভ্রমণ করতে পারছেন। ঈদযাত্রার প্রথম দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মানুষের ভিড় উপচেপড়া ভিড়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের আগের ভিড় আর ঝামেলা এড়াতে অনেকেই আগেভাগে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। তবে নারী যাত্রীদের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। অনেকেই সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে আগেই ঢাকা ছাড়ছেন।
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের চোখে মুখে বাড়ি ফেরার আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে। তবে শিশুদের চোখে মুখে আনন্দ বেশি। ঢাকার একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরাইয়া বলেন, অনেক দিন পর গ্রামে যাচ্ছি। দাদা-দাদির সঙ্গে ঈদ করবো, অনেক আনন্দ হবে।
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের যাত্রী মিনাজুল ইসলাম বলেন, ভার্সিটির ক্লাস বন্ধ তাই কিছুদিন আগেই বাড়িতে চলে যাচ্ছি। ঈদের পর পরীক্ষা আছে খুব তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে। তাছাড়া কয়েকদিন পর ভিড় বাড়বে। তাই আগেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের যাত্রী সোনিয়া বলেন, কয়েকদিন পর ভিড় বাড়বে। বাচ্চাদের নিয়ে তখন যাওয়া কষ্টকর হবে। বাবুর আব্বু ঢাকায় থাকছে, ঈদের দুই দিন আগে বাড়িতে যাবে। আমি বাচ্চাদের নিয়ে একটু আগে যাচ্ছি।
আরেক যাত্রী মিতু আক্তার বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে বাড়িতে যাচ্ছি। এবার বেশ কিছুদিন থাকবো। ট্রেনে যাতায়াত করা আরামদায়ক, প্রতিবছরই ট্রেনে যাই।
এদিকে, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে৷ তিন স্তরের টিকিট চেকিং কার্যক্রম শেষে যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারছেন।
এনএস/এসএনআর
What's Your Reaction?