নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রধান আকর্ষণ জায়েদ খান
প্রবাসে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় আয়োজন নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবার দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে বিশেষ চমক। সেই চমকের নাম জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জায়েদ খান। জায়েদ খানের সঙ্গে এক যুগ পর পর মঞ্চ মাতাবেন ‘ইতিহাস’ সিনেমার নায়ক কাজী মারুফ। আরও থাকবেন চিত্রনায়ক ইমন, চিত্রনায়ক সজল, চিত্রনায়িকা বিন্দু ও জনপ্রিয় গায়ক প্রতিক হাসান। আগামী ২ আগস্ট জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে জায়েদ খানের অংশ নিয়ে এরই মধ্যে প্রবাসী বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ফেস্টিভ্যালে দেশ-বিদেশের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, চলচ্চিত্রপ্রেমী এবং সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনমেলা বসবে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকবে শিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদানসহ নানা আয়োজন। মূল আয়োজনের পূর্বে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে প্রথম দিন ৩০ জুলাই প্রদর্শিত হয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিলাই’, তথ্যচিত্র ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সোহেল রানা বয়াতির ‘নয়া মানুষ’। দ্বিতীয়দিন আজ ৩১ জুলাই প্রদ
প্রবাসে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় আয়োজন নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবার দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে বিশেষ চমক। সেই চমকের নাম জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জায়েদ খান। জায়েদ খানের সঙ্গে এক যুগ পর পর মঞ্চ মাতাবেন ‘ইতিহাস’ সিনেমার নায়ক কাজী মারুফ। আরও থাকবেন চিত্রনায়ক ইমন, চিত্রনায়ক সজল, চিত্রনায়িকা বিন্দু ও জনপ্রিয় গায়ক প্রতিক হাসান।
আগামী ২ আগস্ট জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে জায়েদ খানের অংশ নিয়ে এরই মধ্যে প্রবাসী বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ফেস্টিভ্যালে দেশ-বিদেশের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, চলচ্চিত্রপ্রেমী এবং সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনমেলা বসবে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকবে শিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদানসহ নানা আয়োজন।
মূল আয়োজনের পূর্বে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে প্রথম দিন ৩০ জুলাই প্রদর্শিত হয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিলাই’, তথ্যচিত্র ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সোহেল রানা বয়াতির ‘নয়া মানুষ’। দ্বিতীয়দিন আজ ৩১ জুলাই প্রদর্শিত হবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইশপাইট’ ও ‘The Eternal Journey’ এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মিশুক মনির ‘দেয়ালের দেশ’। তৃতীয়দিন ১ আগস্ট প্রদর্শিত হবে জায়েদ খানের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আমেরিকান ড্রিম’ ও ‘ঈদ মোবারক’ এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, রাইসুল ইসলাম অনিকের ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ ও প্রসূন রহমানের ‘শিকড়’। আর ২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে মূল আয়োজন। এতে অংশগ্রহণ করতে এরই মধ্যে বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চলচ্চিত্র তারকারা নিউ ইয়র্কে পাড়ি জমিয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের এটি প্রথম আসর হওয়ায় বিগত তিন বছরের (২০২৩-২০২৫) সেরা চলচ্চিত্র, সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সেরা পরিচালক, গায়ক-গায়িকা ও কলাকুশলীদের মধ্যে মোট ২০টি ক্যাটাগরিতে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে। বাংলা চলচ্চিত্রের বিশ্বায়নে বিশেষ অবদানের জন্য বায়োস্কোপ ফিল্মসকে এবং বাংলাদেশে সিনেমা হলের আধুনিকায়ন ও দর্শকদের আবার প্রেক্ষাগৃহমুখী করতে, আধুনিক প্রদর্শনব্যবস্থা চালু করতে এবং দেশীয় চলচ্চিত্রের বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় স্টার সিনেপ্লেক্সকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হবে। সেরা ওটিটি প্লাটফর্ম হিসেবে চরকি পাচ্ছে বিশেষ সম্মাননা।
এবং বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য ও কিংবদন্তি অভিনেতা আহমেদ শরীফকে আজীবন সম্মাননা (Lifetime Achievement Award) প্রদান করতে যাচ্ছে নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে তার অসামান্য অবদান, শক্তিশালী অভিনয়শৈলী এবং চলচ্চিত্র শিল্পে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে এরই মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। প্রিয় অভিনেতাকে কাছ থেকে দেখার পাশাপাশি তার অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতা শোনার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।
নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজকরা জানিয়েছেন, চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, তারকাদের উপস্থিতি এবং সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবারের উৎসব আরও বর্ণাঢ্য হয়ে উঠবে। সেই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন জায়েদ খান।
আয়োজকদের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও পরিচিত করে তুলতে এবং প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের চলচ্চিত্রের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেই এই উৎসবের আয়োজন। আর সেই আয়োজনে জায়েদ খানের অংশগ্রহণ উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।
চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি ফেস্টিভ্যালে থাকছে নির্মাতা, শিল্পী ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের উৎসব প্রবাসে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দর্শকদের জন্য হয়ে উঠবে এক স্মরণীয় চলচ্চিত্র উৎসব।
What's Your Reaction?