ফিফার শীর্ষ নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান, কী ঘটতে যাচ্ছে ইনফান্তিনোর ভাগ্যে?
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফায় বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক অধিকার বেসরকারীকরণের বিতর্কিত পরিকল্পনা থেকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হলেও, তার নেতৃত্ব নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধিতার ঝড় বইছে। উয়েফা এবং কনকাকাফের মতো শীর্ষ আঞ্চলিক সংস্থাগুলো এখন প্রকাশ্যেই ইনফান্তিনোর পদত্যাগ ও ফিফা প্রশাসনের আমূল সংস্কার দাবি করেছে। গোল.কমের প্রতিবেদন।
রোববার (২ আগস্ট) ব্রিটিশ সাংবাদিক বেন জ্যাকবস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের লিখিত সমর্থন পুরোপুরি প্রত্যাহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কনকাকাফ কনফেডারেশনের সদস্যরাও একই পথ অনুসরণ করতে চলেছে।
জ্যাকবস আরও যোগ করেন, ফিফার বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এখন ইনফান্তিনোর পদত্যাগের জন্য চাপ দিচ্ছেন, কারণ তারা নিশ্চিত যে তিনি পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অপেক্ষা করছে।
তবে ফুটবলের ঐতিহ্য ও নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার এই প্রচেষ্টাকে ভালভাবে নেয়নি ইউরোপের সংস্থা। তী
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফায় বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক অধিকার বেসরকারীকরণের বিতর্কিত পরিকল্পনা থেকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হলেও, তার নেতৃত্ব নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধিতার ঝড় বইছে। উয়েফা এবং কনকাকাফের মতো শীর্ষ আঞ্চলিক সংস্থাগুলো এখন প্রকাশ্যেই ইনফান্তিনোর পদত্যাগ ও ফিফা প্রশাসনের আমূল সংস্কার দাবি করেছে। গোল.কমের প্রতিবেদন।
রোববার (২ আগস্ট) ব্রিটিশ সাংবাদিক বেন জ্যাকবস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের লিখিত সমর্থন পুরোপুরি প্রত্যাহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কনকাকাফ কনফেডারেশনের সদস্যরাও একই পথ অনুসরণ করতে চলেছে।
জ্যাকবস আরও যোগ করেন, ফিফার বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এখন ইনফান্তিনোর পদত্যাগের জন্য চাপ দিচ্ছেন, কারণ তারা নিশ্চিত যে তিনি পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অপেক্ষা করছে।
তবে ফুটবলের ঐতিহ্য ও নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার এই প্রচেষ্টাকে ভালভাবে নেয়নি ইউরোপের সংস্থা। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে ফিফার টুর্নামেন্ট বয়কট করার অঙ্গীকার করেছিল উয়েফা। এশীয় কনফেডারেশন এবং কনকাকাফও এর বিরোধিতা করেছিল।
অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে ফিফার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যেও ভাঙন ধরে; ফিফা সভাপতির একজন বিশিষ্ট উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত আমেরিকান কার্লোস কর্ডেইরো এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন। ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা, ফরাসি কেভিন লামুরও এর সমালোচনা করেন।
ক্রীড়াঙ্গনের এই বিদ্রোহের মুখে ইনফান্তিনো প্রকল্পটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। কিন্তু তাতে সমালোচনা থামেনি। উয়েফা এখন তাকে তার পদ থেকে সরাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, ইনফান্তিনোর ওপর তাদের আর কোনো আস্থা নেই। অন্যদিকে কনকাকাফ "আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের সভাপতিত্ব পর্যালোচনার" আহ্বান জানিয়েছে।