বীজের মোড়ক-মেয়াদ জালিয়াতির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
বীজের মোড়ক জালিয়াতি, মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকের মেয়াদ পরিবর্তন এবং ভেজাল কৃষিপণ্য বিক্রির অভিযোগে ফেনীর একটি কৃষি উপকরণ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের মহিপাল এলাকায় অধিদপ্তরের নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানে মহিপাল এলাকার ‘মেসার্স নিউ ফকির ট্রেডার্সের’ মালিক রাসেল দোকানে বসে বিভিন্ন নামি ব্র্যান্ডের নকল খালি মোড়কে সাধারণ বীজ প্যাকেট করছিলেন। হাতে-নাতে ধরার পর সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ খালি মোড়ক জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর সম্বলিত মেয়াদ লেখার সিল ও প্যাড উদ্ধার করে অভিযান পরিচালনাকারী দল।জিজ্ঞাসাবাদে ব্যবসায়ী রাসেল জানান, কোনো বীজের মেয়াদ শেষ হলে লোকসান এড়াতে তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিতেন। নকল সিল ব্যবহার করে নতুন মেয়াদ বসিয়ে তা বাজারে বিক্রি করতেন। শুধু তাই নয়, অনলাইন থেকে খোলা কীটনাশক কিনে এনে দোকানে রাখা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের খালি বোতলে ভরে আসল নামে বিক্রি করার কথাও স্
বীজের মোড়ক জালিয়াতি, মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকের মেয়াদ পরিবর্তন এবং ভেজাল কৃষিপণ্য বিক্রির অভিযোগে ফেনীর একটি কৃষি উপকরণ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের মহিপাল এলাকায় অধিদপ্তরের নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানে মহিপাল এলাকার ‘মেসার্স নিউ ফকির ট্রেডার্সের’ মালিক রাসেল দোকানে বসে বিভিন্ন নামি ব্র্যান্ডের নকল খালি মোড়কে সাধারণ বীজ প্যাকেট করছিলেন। হাতে-নাতে ধরার পর সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ খালি মোড়ক জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি থেকে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর সম্বলিত মেয়াদ লেখার সিল ও প্যাড উদ্ধার করে অভিযান পরিচালনাকারী দল।
জিজ্ঞাসাবাদে ব্যবসায়ী রাসেল জানান, কোনো বীজের মেয়াদ শেষ হলে লোকসান এড়াতে তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিতেন। নকল সিল ব্যবহার করে নতুন মেয়াদ বসিয়ে তা বাজারে বিক্রি করতেন। শুধু তাই নয়, অনলাইন থেকে খোলা কীটনাশক কিনে এনে দোকানে রাখা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের খালি বোতলে ভরে আসল নামে বিক্রি করার কথাও স্বীকার করেন তিনি। অভিযানে এমন অসংখ্য খালি বোতলও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
এমন কর্মকাণ্ডের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি থেকে বিরত থাকতে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ফেনী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম। অভিযানে জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম অংশ নেন। ফেনী জেলা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম জানান, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিতে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেএইচকে
What's Your Reaction?