বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা, ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসায় অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে অতিবৃষ্টির কারণে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষের জরাজীর্ণ ছাদ দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে। এতে কয়েকজন ছাত্রী এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে কলম দিয়ে উত্তরপত্র লিখছেন। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বাধ্য হন তারা। জানা গেছে, রোববার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার সময় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এখন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ থেকে পানি পড়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়মিত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া নির্মাণাধীন নতুন ভবনের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় সেটি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নজির আহমেদ বলেন, যে কক্ষটিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সেটি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ একটি শ্রেণিকক্ষ। ভারী বৃষ্টি হলে

বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা, ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসায় অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে অতিবৃষ্টির কারণে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষের জরাজীর্ণ ছাদ দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে। এতে কয়েকজন ছাত্রী এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে কলম দিয়ে উত্তরপত্র লিখছেন। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বাধ্য হন তারা।

জানা গেছে, রোববার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার সময় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার পুরোনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এখন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

বর্ষা মৌসুমে ছাদ থেকে পানি পড়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়মিত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া নির্মাণাধীন নতুন ভবনের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় সেটি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না।

কোটখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নজির আহমেদ বলেন, যে কক্ষটিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সেটি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ একটি শ্রেণিকক্ষ। ভারী বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, এতে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ে। তবে আমাদের নতুন ভবনের কাজ প্রায় শেষ। আশা করছি, এক মাসের মধ্যেই নতুন ভবনে কার্যক্রম শুরু করতে পারব। তখন এ সমস্যার সমাধান হবে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow