ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর একজনকে জীবিত উদ্ধার
ভেনেজুয়েলায় লা গুয়েরা অঞ্চলের একটি শপিংমলের পার্কিং লটে ২৯ ফুট উচ্চতার ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়েছিলেন হার্নান আলবার্তো গিল ফ্লোরেস (৪৪)। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলের কয়েক দিনের অক্লান্ত চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার তাকে বের করে আনা হয়।
ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করার ঘটনাটিকে উদ্ধারকারীরা ‘অলৌকিক’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ভূমিকম্পের সময় দেশটির লা গুয়েরা শহরের ওই ৯ তলা ভবনে ছিলেন তিনি। কম্পনে ভবনটি ধসে পড়লে তিনি চাপা পড়েন। এরপর টানা ৮ দিন চলে উদ্ধার অভিযান। খবর সিএনএনের।
চিলির ফায়ার ব্রিগেড এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিল। তারা জানিয়েছে, জোড়া ভূমিকম্পের ৮ দিন পর উদ্ধার হলেও ফ্লোরেসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এর এক পোস্টে ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, ফ্লোরেসকে এখন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে দীর্ঘ ৭০ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
উদ্ধারকারী দল জানায়, ফ্লোরেসের অবস্থান জানার পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা হয়েছে। তাকে পানি, খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছিল। একটি পাইপ ও সিরিঞ্জের মাধ্যমে তার কাছে তরল খাবার পাঠানো হচ্ছিল।
ভেনেজুয়েলায় লা গুয়েরা অঞ্চলের একটি শপিংমলের পার্কিং লটে ২৯ ফুট উচ্চতার ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়েছিলেন হার্নান আলবার্তো গিল ফ্লোরেস (৪৪)। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলের কয়েক দিনের অক্লান্ত চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার তাকে বের করে আনা হয়।
ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করার ঘটনাটিকে উদ্ধারকারীরা ‘অলৌকিক’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ভূমিকম্পের সময় দেশটির লা গুয়েরা শহরের ওই ৯ তলা ভবনে ছিলেন তিনি। কম্পনে ভবনটি ধসে পড়লে তিনি চাপা পড়েন। এরপর টানা ৮ দিন চলে উদ্ধার অভিযান। খবর সিএনএনের।
চিলির ফায়ার ব্রিগেড এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিল। তারা জানিয়েছে, জোড়া ভূমিকম্পের ৮ দিন পর উদ্ধার হলেও ফ্লোরেসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এর এক পোস্টে ফায়ার ব্রিগেড জানিয়েছে, ফ্লোরেসকে এখন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে দীর্ঘ ৭০ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
উদ্ধারকারী দল জানায়, ফ্লোরেসের অবস্থান জানার পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা হয়েছে। তাকে পানি, খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছিল। একটি পাইপ ও সিরিঞ্জের মাধ্যমে তার কাছে তরল খাবার পাঠানো হচ্ছিল।
বর্তমানে তাকে একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, তাকে যথাসাধ্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।