মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি আদেশ পুনর্বিবেচনার আভাস

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেসুমা) দেশের শ্রমনীতি আরও শক্তিশালী করতে ন্যূনতম মজুরি আদেশ ২০২৪ পুনর্বিবেচনা উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে। সোমবার ৬ এপ্রিল, পুত্রজায়া আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উপমন্ত্রী দাতুক খাইরুল ফিরদাউস বিন আকবার খান। এই কর্মসূচি জাতীয় মজুরি পরামর্শ পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পুনর্বিবেচনা কার্যক্রমের অংশ, যা ২০১১ সালের সংশ্লিষ্ট আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইন অনুযায়ী, ন্যূনতম মজুরি প্রতি অন্তত দুই বছর অন্তর পর্যালোচনা করতে হয়। চলমান এই পর্যালোচনা কার্যক্রম ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। উপমন্ত্রী বলেন, এই মতবিনিময় সভা বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেন প্রণীত নীতিমালা হয় অন্তর্ভুক্তিমূলক, তথ্যভিত্তিক এবং দেশের শ্রমবাজারের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে। পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে প্রায় ৪০০ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন, যাদের মধ্যে নিয়োগকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি, নিয়োগকর্তা সংগঠন এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সদ

মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি আদেশ পুনর্বিবেচনার আভাস

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেসুমা) দেশের শ্রমনীতি আরও শক্তিশালী করতে ন্যূনতম মজুরি আদেশ ২০২৪ পুনর্বিবেচনা উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ের মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে।

সোমবার ৬ এপ্রিল, পুত্রজায়া আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উপমন্ত্রী দাতুক খাইরুল ফিরদাউস বিন আকবার খান।

jagonews24

এই কর্মসূচি জাতীয় মজুরি পরামর্শ পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পুনর্বিবেচনা কার্যক্রমের অংশ, যা ২০১১ সালের সংশ্লিষ্ট আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইন অনুযায়ী, ন্যূনতম মজুরি প্রতি অন্তত দুই বছর অন্তর পর্যালোচনা করতে হয়। চলমান এই পর্যালোচনা কার্যক্রম ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়েছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

উপমন্ত্রী বলেন, এই মতবিনিময় সভা বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেন প্রণীত নীতিমালা হয় অন্তর্ভুক্তিমূলক, তথ্যভিত্তিক এবং দেশের শ্রমবাজারের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে।

পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে প্রায় ৪০০ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন, যাদের মধ্যে নিয়োগকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি, নিয়োগকর্তা সংগঠন এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা ছিলেন।

jagonews24

তারা ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রস্তাব তুলে ধরেন। সারাদেশে মোট ২১টি স্থানে ৩০ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এই মতবিনিময় সভা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান ন্যূনতম মজুরি আদেশ ২০২৪ শ্রমিকের কল্যাণ এবং নিয়োগকর্তার সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমান হার ১৭০০ রিঙ্গিত নির্ধারণের মাধ্যমে সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে মজুরি কাঠামো অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে এবং জনগণের জীবনমান ও জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

কেসুমা ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নে নিয়ম মেনে চলা নিয়োগকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং আরও ন্যায়সঙ্গত, টেকসই নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের কল্যাণ ও দেশের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow