মেসিদের ‘কুফা’ দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ স্ট্রিমার আইশোস্পিড

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতেও ছিল ভিন্ন এক নাটক। জনপ্রিয় স্ট্রিমার আইশোস্পিড (স্পিড) আর্জেন্টিনার জার্সি পরে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন, উদ্দেশ্য ছিল কথিত ‘কুফা’ দিয়ে দলটিকে হারানো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, আর ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান তিনি। বিশ্বকাপ চলাকালীন স্পিড বেশ কয়েকটি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন। তার অনুসারীরা লক্ষ্য করেন, তিনি যে দলের জার্সি পরে মাঠে যান, সেই দলই নাকি শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এরপর নকআউট পর্বে এসে এই ‘জিনক্স’ এড়াতে তিনি দুই দলের জার্সি মিলিয়ে পরা শুরু করেন। একই দিনে ইংল্যান্ড – নরওয়ে ম্যাচের সময় কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টেও তাকে দুই দলের জার্সি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিড মজা করেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করার অভিনয় করছিলেন। কিন্তু লিওনেল স্কালোনির দলের প্রতিটি গোল যেন তাকে আরও হতাশ করে তুলছিল। ম্যাচের শুরুতেই অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করার পর ক্যামেরার সামনে অবিশ্বাসের

মেসিদের ‘কুফা’ দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ স্ট্রিমার আইশোস্পিড

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতেও ছিল ভিন্ন এক নাটক। জনপ্রিয় স্ট্রিমার আইশোস্পিড (স্পিড) আর্জেন্টিনার জার্সি পরে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন, উদ্দেশ্য ছিল কথিত ‘কুফা’ দিয়ে দলটিকে হারানো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, আর ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান তিনি।

বিশ্বকাপ চলাকালীন স্পিড বেশ কয়েকটি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন। তার অনুসারীরা লক্ষ্য করেন, তিনি যে দলের জার্সি পরে মাঠে যান, সেই দলই নাকি শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। এরপর নকআউট পর্বে এসে এই ‘জিনক্স’ এড়াতে তিনি দুই দলের জার্সি মিলিয়ে পরা শুরু করেন। একই দিনে ইংল্যান্ড – নরওয়ে ম্যাচের সময় কানসাস সিটির ফ্যান ফেস্টেও তাকে দুই দলের জার্সি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিড মজা করেই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করার অভিনয় করছিলেন। কিন্তু লিওনেল স্কালোনির দলের প্রতিটি গোল যেন তাকে আরও হতাশ করে তুলছিল। ম্যাচের শুরুতেই অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করার পর ক্যামেরার সামনে অবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, ‘কী হচ্ছে? এটা তো কাজ করছে না, চ্যাট! আমাকে আর কী করতে হবে?’

সুইজারল্যান্ড সমতাসূচক গোল করলে স্পিড উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোয় বেশ আনন্দিত হন। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোলের পর তার মুখের হাসি মিলিয়ে যায়। এরপর লাউতারো মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলটি করার পর আর অপেক্ষা করেননি — ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান জনপ্রিয় এই স্ট্রিমার।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow