রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত : মাহমুদা মিতু

পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের (রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি) জায়গাটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠিক রেখেছে বলে মন্তব্য করে জামায়াত ও এনসিপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১১ দলীয় জোটের সংরক্ষিত নারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এনসিপি ও জামায়াতকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিতু বলেন, আমি এনসিপি থেকে জোটের মনোনীত প্রার্থী। এজন্য এনসিপির আহ্বায়কসহ অন্যদের ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে যোগ্য মনে করে দল থেকে মনোনয়ন দিয়েছে। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানাই যে, পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের জায়গাটা তারা  ঠিক রেখেছে। কেননা জোট মানে কমিটমেন্ট। দেশের ও জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ছিল আমাদের। সেই প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত। তিনি বলেন, অনেক বড় বড় দলও জোট করেছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি ঠিক রাখতে পারেনি তারা। কেননা অনেক বেশি আসন থাকার পরও তারা জোটের প্রার্থীদের সেভাবে সম্মান করেনি। এ জায়গা থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন।  শুধুমাত্র জুলাইয়ের

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত : মাহমুদা মিতু

পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের (রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি) জায়গাটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠিক রেখেছে বলে মন্তব্য করে জামায়াত ও এনসিপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১১ দলীয় জোটের সংরক্ষিত নারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এনসিপি ও জামায়াতকে ধন্যবাদ জানিয়ে মিতু বলেন, আমি এনসিপি থেকে জোটের মনোনীত প্রার্থী। এজন্য এনসিপির আহ্বায়কসহ অন্যদের ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে যোগ্য মনে করে দল থেকে মনোনয়ন দিয়েছে। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানাই যে, পলিটিক্যাল কমিটমেন্টের জায়গাটা তারা  ঠিক রেখেছে। কেননা জোট মানে কমিটমেন্ট। দেশের ও জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ছিল আমাদের। সেই প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত।

তিনি বলেন, অনেক বড় বড় দলও জোট করেছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি ঠিক রাখতে পারেনি তারা। কেননা অনেক বেশি আসন থাকার পরও তারা জোটের প্রার্থীদের সেভাবে সম্মান করেনি। এ জায়গা থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন। 

শুধুমাত্র জুলাইয়ের কারণে এখানে আসতে পেরেছেন জানিয়ে এনসিপির এই নেত্রী বলেন, জামায়াতে ইসলামী ও জোটের সিদ্ধান্তমতে আমাদের সঙ্গে শহীদ পরিবারের একজন তথা শহীদ জাবিরের মা রয়েছেন। কারণ আমরা জুলাইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। তাই এখানে শহীদ পরিবারের একজন থাকা অনেক বড় বিষয়। এছাড়া জোটের অন্যান্য নারীরাও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক অভিজ্ঞ। আশা করি আমাদের এ পথচলা খুবই সুন্দর হবে। 

নারীদের নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় রেখে মিতু বলেন, আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নারীদের সামাজিক সুরক্ষা-নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করবো। পাশাপাশি আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেসব ভূমিকা রাখা দরকার, সেসবও জনকল্যাণের স্বার্থে আমরা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow