স্কুলে হামলার দায় যুক্তরাষ্ট্রের, ‘ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ’ বলছে ইরান

মার্কিন প্রাথমিক সামরিক তদন্তে দেখা গেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মিনাবের শাহজারাহ তায়্যিবাহ স্কুলে চালানো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনীর এই হামলায় অন্তত ১৬৮ জন শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা একটি ‘ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ’ এবং এর দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এক্স বার্তায় জানিয়েছেন, ডাবল-ট্যাপ আমেরিকান টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মিনাবে ১৬৮ জন ছোট ইরানি শিশু নিহত হয়েছে। এটি একটি ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে যে, হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করতে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড- এর কর্মকর্তারা পারিসাংখ্যিকভাবে পুরোনো তথ্য ব্যবহার করেছিলেন যা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি দ্বারা সরবরাহ করা হয়েছিল। ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলায় অন্তত ১৭৫ জন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছিলেন, যাদের বেশিরভাগই শিশু। এই হামলা সাম্প্রতিক সময়ে নাগরিকদের ওপর চালানো সবচেয়ে ভয়ংকর ও চরম মানবাধিকার লঙ

স্কুলে হামলার দায় যুক্তরাষ্ট্রের, ‘ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ’ বলছে ইরান

মার্কিন প্রাথমিক সামরিক তদন্তে দেখা গেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মিনাবের শাহজারাহ তায়্যিবাহ স্কুলে চালানো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনীর এই হামলায় অন্তত ১৬৮ জন শিশু শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা একটি ‘ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ’ এবং এর দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই এক্স বার্তায় জানিয়েছেন, ডাবল-ট্যাপ আমেরিকান টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মিনাবে ১৬৮ জন ছোট ইরানি শিশু নিহত হয়েছে। এটি একটি ক্ষমার অযোগ্য যুদ্ধাপরাধ।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে যে, হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করতে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড- এর কর্মকর্তারা পারিসাংখ্যিকভাবে পুরোনো তথ্য ব্যবহার করেছিলেন যা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি দ্বারা সরবরাহ করা হয়েছিল।

ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলায় অন্তত ১৭৫ জন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছিলেন, যাদের বেশিরভাগই শিশু। এই হামলা সাম্প্রতিক সময়ে নাগরিকদের ওপর চালানো সবচেয়ে ভয়ংকর ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্যে একটি।

পরীক্ষা অনুযায়ী, স্কুলটি ইতোমধ্যেই আইআরজিসি নৌবাহিনী সংলগ্ন ভবনের অংশ হলেও অন্তত নয় বছর ধরে বিদ্যালয় হিসেবে আলাদা করা ছিল। সেখানে রঙিন মূরাল এবং ছোট খেলার মাঠসহ শিক্ষামূলক সুবিধার চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। এছাড়া হামলার সময় স্কুলটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে কোনো প্রমাণ নেই।

যদিও স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনে এই হামলার জন্য মার্কিন দায় নিশ্চিত করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করার দাবি করেছেন। তবে মার্কিন সামরিক মুখপাত্ররা জানিয়েছে এই হামলার তদন্ত চলছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান/আনাদোলু এজেন্সি

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow