আল-আকসায় ১৯৬৭ সালের পর সর্বোচ্চ পশু বলির চেষ্টা ইহুদিদের
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। চলতি বছরের এক উৎসব উপলক্ষে তারা এ চেষ্টা চালান। বৃহস্পতিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্যালেস্টাইন অথরিটির জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, এ বছর অন্তত সাতবার আল-আকসা প্রাঙ্গণে পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা ১৯৬৭ সালে অঞ্চলটি দখল করার পর থেকে সর্বোচ্চ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ টানা ৪০ দিন ধরে আল-আকসা প্রাঙ্গণ বন্ধ রাখে। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে পুনরায় খুলে দেওয়া হলে মুসল্লিরা সেখানে ভিড় করেন।
ইসরায়েলি বাহিনী এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে জরুরি অবস্থা ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে। ইরান যুদ্ধের কারণেই ওই পরিস্থিতি হয়েছে বলে দাবি দখলদারদের।
এই সময়টিকে কাজে লাগিয়ে কট্টরপন্থী ‘টেম্পল মাউন্ট’ গোষ্ঠীগুলো (যারা আল-আকসাকে এ নামেই উল্লেখ করে) সেখানে ধর্মীয় আচার হিসেবে পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা চালায়। অন্তত দুইবার তারা পশু (ছাগল বা ভেড়া) নিয়ে পুরোনো শহরের প্রবেশপথ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হলেও শেষ পর্যন্ত বাধাপ্রাপ্ত হয়।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১ এপ্রিল অন্তত
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। চলতি বছরের এক উৎসব উপলক্ষে তারা এ চেষ্টা চালান। বৃহস্পতিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্যালেস্টাইন অথরিটির জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, এ বছর অন্তত সাতবার আল-আকসা প্রাঙ্গণে পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা ১৯৬৭ সালে অঞ্চলটি দখল করার পর থেকে সর্বোচ্চ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ টানা ৪০ দিন ধরে আল-আকসা প্রাঙ্গণ বন্ধ রাখে। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে পুনরায় খুলে দেওয়া হলে মুসল্লিরা সেখানে ভিড় করেন।
ইসরায়েলি বাহিনী এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে জরুরি অবস্থা ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে। ইরান যুদ্ধের কারণেই ওই পরিস্থিতি হয়েছে বলে দাবি দখলদারদের।
এই সময়টিকে কাজে লাগিয়ে কট্টরপন্থী ‘টেম্পল মাউন্ট’ গোষ্ঠীগুলো (যারা আল-আকসাকে এ নামেই উল্লেখ করে) সেখানে ধর্মীয় আচার হিসেবে পশু বলি দেওয়ার চেষ্টা চালায়। অন্তত দুইবার তারা পশু (ছাগল বা ভেড়া) নিয়ে পুরোনো শহরের প্রবেশপথ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হলেও শেষ পর্যন্ত বাধাপ্রাপ্ত হয়।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ১ এপ্রিল অন্তত ১৪ জন ইহুদি উপাসককে এ ধরনের চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়।
এ ধরনের ঘটনা আল-আকসা প্রাঙ্গণের দীর্ঘদিনের স্থিতাবস্থা নীতিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং অঞ্চলটিতে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে ইসরায়েলি বাহিনী বলছে, তারা এ ধরনের আচার রোধে কোনো পক্ষপাত করছে না। শান্তিবস্থা রক্ষায় বাহিনী কাজ করছে।