ইজিবাইক চুরি নিয়ে সংঘর্ষ-গোলাগুলি, আহত ৫
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ইজিবাইক চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ মার্চ) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ১০নং চৌগ্রাম ইউনিয়নের কামার বড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- কামার বড়িয়া গ্রামের মৃত নজের আলীর দুই ছেলে মো. হানিফ (৬০) ও মো. বেদন (৩৫), ভুট্টুর ছেলে মো. হাসান (২৮), আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. শিমুল (৩০) এবং দুলালের ছেলে মো. আশিক (২২)। আহতদের সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হানিফের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কামার বড়িয়া গ্রামের মো. বায়েজিদের (৩৫) বাড়ি থেকে একটি ইজিবাইক চুরি হয়। ওই ঘটনায় বায়েজিদ বাদী হয়ে একই গ্রামের আলামিন (৩৫) ও পাবনা জেলার বাসিন্দা মুনিরের (৩৬) বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত মুনির বড়িয়া গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করেন এবং তিনি আল আমিনের খালাতো ভগ্নিপতি। থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ইজিবাইক চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ১০নং চৌগ্রাম ইউনিয়নের কামার বড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- কামার বড়িয়া গ্রামের মৃত নজের আলীর দুই ছেলে মো. হানিফ (৬০) ও মো. বেদন (৩৫), ভুট্টুর ছেলে মো. হাসান (২৮), আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. শিমুল (৩০) এবং দুলালের ছেলে মো. আশিক (২২)।
আহতদের সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হানিফের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কামার বড়িয়া গ্রামের মো. বায়েজিদের (৩৫) বাড়ি থেকে একটি ইজিবাইক চুরি হয়। ওই ঘটনায় বায়েজিদ বাদী হয়ে একই গ্রামের আলামিন (৩৫) ও পাবনা জেলার বাসিন্দা মুনিরের (৩৬) বিরুদ্ধে সিংড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত মুনির বড়িয়া গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করেন এবং তিনি আল আমিনের খালাতো ভগ্নিপতি।
থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার (৪ মার্চ) দিবাগত রাতে আল আমিন, মুনির ও আশিকসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বায়েজিদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হন ৫ জন। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ব ম আব্দুন নূর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখান থেকে ৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?