ইরানকে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুবই কঠোর’ সামরিক হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বাহিনী প্রতিহত করেছে। খবর শাফাক নিউজ এজেন্সির। ট্রাম্প বলেন, এখন আমাদের পালা। কোনো একসময় সমঝোতায় পৌঁছানো যেতে পারে, তবে তার আগে আমরা খুব কঠোরভাবে জবাব দেব। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে বৈঠকে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানকে মোকাবিলার তিনটি সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের আলোচনা চললেও, নেতানিয়াহু এখনো ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর ইরানের যে কোনো হামলার জবাব তাৎক্ষণিক ও শক্তভাবে দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বৈঠকে সামরিক ও অসামরিক উভয় উপায়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার বিষয়ও ছিল, যা দেশটির অর্থনীতিতে আরও চাপ সৃষ্টি

ইরানকে ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুবই কঠোর’ সামরিক হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বাহিনী প্রতিহত করেছে। খবর শাফাক নিউজ এজেন্সির। ট্রাম্প বলেন, এখন আমাদের পালা। কোনো একসময় সমঝোতায় পৌঁছানো যেতে পারে, তবে তার আগে আমরা খুব কঠোরভাবে জবাব দেব। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে বৈঠকে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানকে মোকাবিলার তিনটি সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের আলোচনা চললেও, নেতানিয়াহু এখনো ইরানের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর ইরানের যে কোনো হামলার জবাব তাৎক্ষণিক ও শক্তভাবে দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বৈঠকে সামরিক ও অসামরিক উভয় উপায়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার বিষয়ও ছিল, যা দেশটির অর্থনীতিতে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্প বৈঠকে আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ সংকট, ডিজেলের ঘাটতি এবং অর্থনৈতিক সমস্যাজনিত সীমিত বিক্ষোভের মুখে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow